img

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু

প্রকাশিত :  ১৩:০৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:৫৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু

পাকিস্তান সরকারের মধ্যস্থতায় রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনা।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি কূটনৈতিক বৈঠক হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের বৈরিতা ও সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর এই আলোচনা বিশ্ব রাজনীতিতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন উভয় দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে ১৪ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। ইসলামাবাদের এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো সংঘাত স্থায়ীভাবে বন্ধের একটি পথ বের করা।

পাকিস্তান এই আলোচনার আয়োজক ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে, যা দুই দেশের মধ্যকার অবিশ্বাস দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

শান্তি আলোচনার এই নতুন পথচলা বিশ্বের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

সবার নজর এখন ইসলামাবাদের আলোচনার টেবিলে, যেখান থেকে উভয় পক্ষ কোনো দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে পুরো বিশ্ব।

সূত্র: আলজাজিরা।

img

সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, যুদ্ধের চিরস্থায়ী অবসান চায় ইরান

প্রকাশিত :  ১২:১৩, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খাতিবজাদেহ জানিয়েছেন, ইরান কোনো ধরনের সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করবে না। আন্টালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরাম–এর এক পার্শ্ব বৈঠকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, তেহরান বর্তমানে সমগ্র অঞ্চলজুড়ে চলমান যুদ্ধের একটি স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ অবসান চায়।

উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাতিবজাদেহ জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবানন থেকে শুরু করে লোহিত সাগর পর্যন্ত সমস্ত সংঘাতপূর্ণ এলাকা অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। ইরানের কাছে এটি একটি ‘রেড লাইন’ বা অলঙ্ঘনীয় শর্ত। 

তিনি আরও যোগ করেন, ইরান কোনো খণ্ডিত বা সাময়িক সমাধানে বিশ্বাসী নয় এবং এই সংঘাতের চক্র এখনই চিরতরে বন্ধ হওয়া উচিত।

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও অবস্থান প্রসঙ্গে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই জলপথটি ঐতিহাসিকভাবেই উন্মুক্ত ছিল। যদিও এটি ইরানের জলসীমার মধ্যে অবস্থিত, তবুও দীর্ঘকাল ধরে এটি আন্তর্জাতিক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, তাদের কর্মকাণ্ড এই অঞ্চলে অস্থিরতা উসকে দিচ্ছে। খাতিবজাদেহর মতে, এই দুই দেশের নেতিবাচক তৎপরতা বর্তমানে বিশ্ব বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

সূত্র: আলজাজিরা।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর