img

ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধবিরতির পর আরও কমল তেলের দাম

প্রকাশিত :  ০৬:১১, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধবিরতির পর আরও কমল তেলের দাম
ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শিগগিরই শেষ হতে পারে—এমন আস্থা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে তেলের দাম কমেছে। 
আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা বলছে, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের ফিউচার্স ১ শতাংশেরও বেশি কমে প্রতি ব্যারেল ৯৮.০৫ ডলারে নেমে এসেছে। 
আর যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দাম কমে প্রতি ব্যারেল ৯৪ ডলারের নিচে নেমেছে।

মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরান সংঘাতকে কেন্দ্র করে তেলের দাম রেকর্ড ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছিল। সম্প্রতি তা ১০০ ডলারের নিচে নেমে এলেও পুরো সপ্তাহজুড়ে ৯০ ডলারের ঘরেই অবস্থান করছে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই সপ্তাহান্তে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হতে পারে।  তার এই মন্তব্য বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

মার্কিন অবরোধ ভেঙে দক্ষিণের বন্দরে ইরানি জাহাজ

প্রকাশিত :  ১৫:০৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, একটি তেলবাহী ইরানি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ অতিক্রম করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি বন্দরে পৌঁছেছে।

সেনবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সন্ত্রাসী সেনাদের বারংবার সতর্কবার্তা ও হুমকির পরেও, ইরানের সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সহায়তায় তেল বহনকারী জাহাজ সিলিকা সিটি আরব সাগর থেকে গতকাল রাতে ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করেছে এবং কয়েক ঘণ্টা আগে দক্ষিণের একটি বন্দরে নোঙর করেছে।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো মন্তব্য করেনি।

অন্যদিকে, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকম গতকাল এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ শুরুর পর থেকে মার্কিন বাহিনী ২৭টি জাহাজকে পথ পরিবর্তন করতে বা ইরানের বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে।

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ইরানকে সাহায্য করার অভিযোগে ‘এম/টি টিফানি’ নামের একটি তেলের ট্যাঙ্কার দখল করে নিয়েছে মার্কিন বাহিনী। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে পেন্টাগনের (বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন যার নাম দিয়েছে যুদ্ধ মন্ত্রণালয়) নির্দেশে এই অভিযান চালানো হয়। 

মূলত ইরানের ওপর থাকা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে এবং দেশটিকে সাহায্য করা জাহাজগুলোর পথ আটকাতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।