img

ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া, বাড়ছে উত্তেজনা

প্রকাশিত :  ০৯:২৯, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া, বাড়ছে উত্তেজনা

উত্তর কোরিয়া আবারও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে । জাপানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিক সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে, যা জাপানের জলসীমার বাইরে গিয়ে পড়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে একাধিক সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছেন জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কইজুমি।

এরই মধ্যে রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জাপানের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (ইইজেড)-এর বাইরে গিয়ে পতিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জাপানি সময় সকাল প্রায় ৬টার দিকে (গ্রিনিচ মান সময় রাত ৯টা) এসব ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।

উল্লেখ্য, তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

যদিও সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

সূত্র: তাস


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

মার্কিন অবরোধ ভেঙে দক্ষিণের বন্দরে ইরানি জাহাজ

প্রকাশিত :  ১৫:০৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, একটি তেলবাহী ইরানি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ অতিক্রম করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি বন্দরে পৌঁছেছে।

সেনবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সন্ত্রাসী সেনাদের বারংবার সতর্কবার্তা ও হুমকির পরেও, ইরানের সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সহায়তায় তেল বহনকারী জাহাজ সিলিকা সিটি আরব সাগর থেকে গতকাল রাতে ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করেছে এবং কয়েক ঘণ্টা আগে দক্ষিণের একটি বন্দরে নোঙর করেছে।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো মন্তব্য করেনি।

অন্যদিকে, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকম গতকাল এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ শুরুর পর থেকে মার্কিন বাহিনী ২৭টি জাহাজকে পথ পরিবর্তন করতে বা ইরানের বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে।

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ইরানকে সাহায্য করার অভিযোগে ‘এম/টি টিফানি’ নামের একটি তেলের ট্যাঙ্কার দখল করে নিয়েছে মার্কিন বাহিনী। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে পেন্টাগনের (বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন যার নাম দিয়েছে যুদ্ধ মন্ত্রণালয়) নির্দেশে এই অভিযান চালানো হয়। 

মূলত ইরানের ওপর থাকা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে এবং দেশটিকে সাহায্য করা জাহাজগুলোর পথ আটকাতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।