img

পর্যায়ক্রমে সব কল-কারখানা চালু করা হবে: তারেক রহমান

প্রকাশিত :  ১৩:১৮, ০১ মে ২০২৬

পর্যায়ক্রমে সব কল-কারখানা চালু করা হবে: তারেক রহমান

বিগত কয়েক বছরে বন্ধ হওয়া কলকারখানা চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পর্যায়ক্রমে সবগুলো চালু করা হবে যাতে যেন শ্রমিকরা কাজ করতে পারে। শ্রমিকরা ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে।

আজ শুক্রবার (১ মে) বিকালে নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

তারেক রহমান বলেন, শ্রমিকদের স্ত্রীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। কৃষকদের আমরা ১০ হাজার ঋণ মওকুফ করেছি। কৃষকদের কার্ডের বিষয়েও কাজ চলছে। 

তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। তারা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পানি পায় না। সেজন্য আমরা খাল খনন শুরু করেছি। কৃষক, শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যাবে।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

img

পিলখানা হত্যাকাণ্ড: কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত ৮ সাবেক বিডিআর সদস্য

প্রকাশিত :  ১৬:৪৪, ০১ মে ২০২৬

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলার আসামিদের মধ্যে  জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন আট সাবেক বিডিআর সদস্য।

আজ শুক্রবার (১ মে) গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের হাই সিকিউরিটি ইউনিটে থাকা এক বন্দি এবং কারাগার পার্ট-২ এ থাকা সাত বন্দি মুক্তি পান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, তার কারাগার থেকে একজন ও বাকিদের অন্য কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, কাশিমপুর কারাগারে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার আট আসামির জামিননামা পাঠানো হয়। সেসব জামিননামা যাচাই-বাছাই শেষে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় বন্দিদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় কারাফটকে বন্দিদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর জেলসুপার হালিমা খাতুন জানান, জামিনের কাগজ যাচাই-বাছাই শেষে শুক্রবার সকালে তার কারাগার থেকে একজন ও বিকালে ছয়জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। যেখানে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর খালাস পান ২৭৮ জন।

জাতীয় এর আরও খবর