img

বিয়ে করছেন ডাকসু ভিপি সাদেক কায়েম, পাত্রী কে?

প্রকাশিত :  ১৩:৫২, ০৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:১৫, ০৭ মে ২০২৬

বিয়ে করছেন ডাকসু ভিপি সাদেক কায়েম, পাত্রী কে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সহ-সভাপতি (ভিপি) এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন। তার বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

কাকে বিয়ে করতে চলেছেন ডাকসু সহ-সভাপতি, তা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই নেটিজেনদের। জানা গেছে, সাদিক কায়েমের হবু স্ত্রীর নাম আনিকা ফরায়েজি, পেশায় তিনি একজন ডাক্তার।

আগামী ১৩ মে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে। আনিকা ফরায়েজির বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। আনিকার বাবা রিলায়েন্স গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এবং প্রবাসীবাংলা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি আরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

সূত্র জানিয়েছে, বিয়ের আকদের অনুষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পরে রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে মূল বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন ক

রা হবে।

এদিকে বিয়ের খবরটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ডাকসু নেতাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী এ নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট শেয়ার করছেন।

বিশেষ করে ডাকসু নেতা মাজহারুল ইসলামের তৈরি একটি বিয়ের কার্ডের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আরও বেড়েছে।


img

মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা: সেই চিকিৎসককে হত্যা-ধর্ষণের হুমকি, থানায় জিডি

প্রকাশিত :  ০৭:২৩, ০৮ মে ২০২৬

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১২ বছরের মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার পর থেকে  প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারকে। নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে মদন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

সাধারণ ডায়েরি করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম ।

ডা. সায়মা আক্তার জিডিতে উল্লেখ করেন, আমি উপজেলার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখি। গত ৩০ এপ্রিল একজন রোগী এসে আমার কাছে তার শারীরিক অসুবিধার কথা বলে। আমি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার রিপোর্ট দেখে জানতে পারি সে ২৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনার বিষয়ে আমি ভুক্তভোগী ও তার মায়ের কাছে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী শিশুটি জানায় মাদরাসার হুজুর তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরবর্তী সময়ে ঘটনাটি জানাজানি হলে একটি নিউজ চ্যানেল আমার কাছে এসে ভুক্তভোগীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চায়। আমি তার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানাই। আমার বক্তব্যটি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল, গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি, বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার থেকে আমাকে গালিগালাজ করে হত্যা এবং গণধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি ও আমার পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং প্রাণনাশের ঝুঁকিতে আছি বিধায় উক্ত বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা একান্ত প্রয়োজন।

চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সাধারণ ডায়েরি করার বিষয়টি তারা নিশ্চিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে খুব বেশি কথা বলতে তারা রাজি নন। কারণ তারা বর্তমানে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে খুব উদ্বিগ্ন।

তবে ঢাকা পোস্ট এর পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া আইডিগুলো প্রবেশ করার চেষ্টা করলেও, সেগুলোকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আইডিগুলো ডিলিট করা হয়েছে অথবা ডিজেবল করে রাখা হয়েছে।

সাধারন ডায়েরির বিষয়ে জানতে চাইলে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ওই নারী চিকিৎসক দুপুরের দিকে আমাদের থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন আমরা তার নিরাপত্তা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। তবে মামলা তদন্তের স্বার্থে এর বিষয়ে বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, ধর্ষণের এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোসসিনা ইসলাম পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামি মাদরাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিন দিনের রিমান্ড শেষে আগামী ১০ মে বিকেলে তাকে আদালতে উপস্থিত করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।