প্রকাশিত :
০৯:৪২, ০৩ মে ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ১০:১২, ০৩ মে ২০২৬
আগামীকাল সোমবার দুপুরের মধ্যে দেশের চার বিভাগে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে সংস্থাটি।
ভারি বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানায় আবহাওয়া অফিস।
এতে বলা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত থাকায় আগামীকাল সোমবার দুপুর ১টার মধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।
ফলে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতাসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।
শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি দোকান মালিক সমিতির
প্রকাশিত :
০৯:৩২, ০৩ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার প্রাক্কালে সাধারণ ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধার্থে শপিংমল ও বিপণিবিতানসমূহ বন্ধের সময়সীমা বর্তমানের সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ৯টা পর্যন্ত বর্ধিত করার জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি। এই দাবিতে গত শনিবার (২ মে) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বরাবর একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি।
আজ রোববার (৩ মে) সংগঠনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্তের ফলে দেশের হাজার হাজার ব্যবসায়ী চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। আমাদের দেশের সংস্কৃতি অনুযায়ী, অধিকাংশ ক্রেতা দাপ্তরিক কাজ শেষে সন্ধ্যার পরেই কেনাকাটা করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। ফলে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই শপিংমল বন্ধ করে দেওয়ায় আশঙ্কাজনক হারে বিক্রি কমে গেছে এবং ব্যবসার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে।
চিঠিতে ব্যবসায়ীরা আরও উল্লেখ করেন, এই পরিস্থিতির কারণে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং তৈরি পোশাক বিক্রেতারা মারাত্মক সংকটের মুখে পড়েছেন। পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে অনেক প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হবে, যা প্রকারান্তরে বেকারত্ব বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের লেনদেন কমে যাওয়ায় সরকারের ভ্যাট ও ট্যাক্স আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনও বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি বিকল্প প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রয়োজনে শপিংমল খোলার সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এতে যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে, তেমনি ব্যবসায়ীরা সন্ধ্যার পর পর্যাপ্ত সময় কেনাকাটার সুযোগ পাবেন। চিঠিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, যখন নিয়মতান্ত্রিক শপিংমলগুলো বন্ধ রাখা হচ্ছে, তখন সন্ধ্যার পর অনেক ভ্রাম্যমাণ ভ্যান অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনা করছে, যা একটি অসুস্থ প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করছে।
ব্যবসায়ী নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, সরকার নির্ধারিত নীতিমালার প্রতি তারা সর্বদা শ্রদ্ধাশীল। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং সাধারণ জনগণের উৎসবকালীন কেনাকাটার কথা বিবেচনা করে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার বিষয়ে দ্রুত ও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণে মন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।