img

টাঙ্গাইলে ছাগলছানা তুলতে গিয়ে প্রাণ গেল বাবা-ছেলেসহ চারজনের

প্রকাশিত :  ০৬:৩২, ২০ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:০৫, ২০ জুন ২০২৬

 টাঙ্গাইলে ছাগলছানা তুলতে গিয়ে প্রাণ গেল বাবা-ছেলেসহ চারজনের

টাঙ্গাইলের মধুপুরে পরিত্যক্ত একটি কূপে পড়ে যাওয়া ছাগল ছানা তুলতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ গারো নৃ-গোষ্ঠীর ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

আজ শনিবার (২০ জুন) সকাল ৮টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের মধুপুর বনাঞ্চলের টেলকিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকাল ৯টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে কূপ থেকে লাশগুলো উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন- টেলকি গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪০), তার ছেলে নেইমার ম্রং (১২), এলাকার জামাই গাব্রিয়াল (৪০) এবং প্রতিবেশী রতন নকরেক (২৭)।

মধুপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী স্টেশন কর্মকর্তা লাভলু তরফদার  ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য লাল মিয়াসহ স্থানীয়রা জানান, বাবুল হাদিমার একটি ছাগল ছানা টেলকি বাজারের উত্তর পশ্চিমের মসজিদ এলাকার একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যায়। ওই ছাগল ছানা  তুলতে প্রথমে কূপে নামে নেইমার। কিছু সময় পার হয়ে গেলেও নেইমারের সাড়া না  পেয়ে দ্বিতীয়বার নামে বাবুল হাদিমা। একইভাবে গ্রাবিয়াল এবং শেষে রতন। একে একে কূপে নামা চারজনের কারও সাড়া না পেয়ে স্থানীয়রা ডাকাডাকি শুরু করে। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে এবং ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিস এসে অক্সিজেনহীন পরিত্যক্ত কূপে প্রক্রিয়া করে ফায়ার ফাইটার মনিরকে কূপে নামিয়ে দিয়ে একে একে তাদের লাশ উদ্ধার করে। 

মধুপুর থানার ওসি একেএম ফজলুল হক জানান, চার লাশ ফায়ার সার্ভিসের কাছ থেকে গ্রহণ শেষে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। 


বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

সচিবের কাছে ‘রেলবন্দর’ চাইলেন সংসদে ওভেন-ওয়াশিং মেশিন চাওয়া সেই এমপি

প্রকাশিত :  ০৭:১৮, ২০ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৩১, ২০ জুন ২০২৬

সংসদ সদস্যদের আবাসিক ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেনের দাবি জানিয়ে সম্প্রতি আলোচনায় আসা চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য ড. মিজানুর রহমান এবার নিজ নির্বাচনী এলাকা রহনপুরে একটি পূর্ণাঙ্গ রেলবন্দর প্রতিষ্ঠার দাবি তুলেছেন।

গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে রহনপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে আসা রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের কাছে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

এর আগে, গত বুধবার (১৭ জুন) সংসদ অধিবেশনে বাজেট আলোচনায় স্পিকারের নিকট সংসদ সদস্যদের আবাসিক ফ্ল্যাটের দরজা-জানালার পর্দা, ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন চেয়ে দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন এই সংসদ সদস্য।

রেলসচিবের সঙ্গে বৈঠকে এমপি মিজানুর রহমান রহনপুর স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ রেলবন্দরে উন্নীত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। পাশাপাশি রহনপুর-ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন চালু, রাজশাহী-রহনপুর রুটে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, ট্রেনের বগি বাড়ানো, ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম ও ওভারব্রিজে শেড নির্মাণ এবং একটি ওয়াশফিড চালুর দাবি জানান।

এ সময় রহনপুর রেলবন্দর বাস্তবায়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত থেকে তাদের ১০ দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি রেলসচিবের কাছে হস্তান্তর করেন।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমপি মিজানুর রহমান বলেন, রহনপুর স্টেশনের দুটি লাইন সম্প্রসারণের বিষয়টি সচিবকে অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া ঢাকার সাথে সংযোগকারী রাজশাহী পর্যন্ত শাটল ট্রেনের দাবি জানালে তিনি ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘রহনপুর স্টেশন থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৩ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়। এখানকার লাইন দুটি বৃদ্ধি করা হলে রাজস্ব আদায় আরও অনেক বাড়বে। রহনপুরে রেলবন্দর বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে এটি একটি অন্যতম আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হবে।’


বাংলাদেশ এর আরও খবর