img

৪৮০০ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: শুভেন্দু

প্রকাশিত :  ১২:৪৯, ০৮ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৫১, ০৮ জুন ২০২৬

৪৮০০ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: শুভেন্দু

পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলার অস্থায়ী আবাসনকেন্দ্রগুলো থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন কথিত অবৈধ অভিবাসীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রোববার (৭ জুন) তিনি আরও জানান, বর্তমানে আরও ৮৩৬ জন বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

শুভেন্দু অধিকারী এই সংখ্যা জানালেও কবে, কোন সীমান্ত দিয়ে এবং কীভাবে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য বলেননি। একই সঙ্গে, এসব ব্যক্তির অবৈধ অভিবাসী হিসেবে পরিচয় নির্ধারণের পদ্ধতি নিয়েও ভারত সরকার কিংবা রাজ্য সরকার এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি।

বিজেপির একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষা করা তাঁর সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। 

তিনি জানান, সীমান্তের ৫৫৬ কিলোমিটার অংশে এখনো বেড়া নির্মাণ বাকি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকার জমি ইতোমধ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের চিকেনস নেক করিডরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন সিএএর আওতায় যারা পড়েন না, তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ম অনুসারে সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে অবৈধ অভিবাসীরা রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে সরকারি খরচে দীর্ঘদিন অবস্থান করার সুযোগ পেয়েছিলেন।

এদিকে, সোমবার রাতে পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা ১০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে প্রায় ৭০ ঘণ্টা পর ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগের পর তাদের ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে ফেরত পাঠানো হয়। এ সময় সীমান্তের ফ্লাডলাইট কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

ছিটকে পড়া শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রাকচাপায় নিহত ২

প্রকাশিত :  ০৭:১১, ০৮ জুন ২০২৬

ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ৮ বছরের শিশুসহ এক মোটরসাইকেল আরোহী। গতকাল রোববার (৭ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নে কোলইকান্দি বটতলা এলাকায় পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি মোটরসাইকেল একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে অটোরিকশায় থাকা মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে আট বছরের শিশু আলিফ। তাকে উদ্ধার করতে ওই মোটরসাইকেলের এক আরোহী দৌড়ে আসার সময় আলিফসহ ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হয়েছেন।

নিহত আলিফ পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের কোলাদি গ্রামের জাহিদ হোসেনের ছেলে।

পাকশী হাইওয়ে থানার ওসি নান্নু খান জানান, আলিফ তার মা আঁখি ও খালার সঙ্গে পাবনা থেকে একটি অটোরিকশা করে পাকশী বেড়াতে এসেছিল। পথে কোলইকান্দি বটতলা এলাকায় পৌঁছানোর পর অটোরিকশাটি রাস্তার পাশে সামান্য কাত হয়ে যায়। এসময় পেছনে থাকা একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে মায়ের কোল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে যায় আলিফ।

ছেলেকে বাঁচাতে মা অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে নামার পর মোটরসাইকেল চালক গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যান। এসময় ওই মোটরসাইকেলের আরোহী (নাম জানা যায়নি) শিশুটিকে বাঁচাতে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই আলিফ ও মোটরসাইকেল আরোহী মারা যান। এতে আহত হন আলিফের মা আঁখি খাতুন।

ওসি আরও জানান, খবর পেয়ে পাকশী হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা নিহতদের লাশ উদ্ধার করে। তবে অটোরিকশা ও ট্রাক নিয়ে চালকেরা পালিয়ে গেছে। আহত আঁখিকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ এর আরও খবর