img

টানা দু’দিন কমার পর ফের বাড়ল তেলের দাম

প্রকাশিত :  ০৭:০৭, ২১ মে ২০২৬

টানা দু’দিন কমার পর ফের বাড়ল তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধকে ঘিরে অনিশ্চয়তা এবং তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কারণে টানা দুই দিনের পতনের পর আবারও বেড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) গ্রিনিচ মান সময় রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮১ সেন্ট বা ০.৭৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.৮৩ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৯৭ সেন্ট বা ০.৯৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯.২৩ ডলারে লেনদেন হয়।

ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা থাকায় তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা বাড়ছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

এদিকে,  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টি তিনি কোনোভাবেই বিবেচনা করবেন না। ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের চলমান আলোচনার মধ্যেই হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এমন কঠোর বার্তা এলো। ট্রাম্প জানিয়েছেন, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি তড়িঘড়ি করতে রাজি নন এবং প্রয়োজনে তিনি আরও কয়েক দিন বা তার চেয়েও বেশি সময় অপেক্ষা করতে প্রস্তুত আছেন।

img

কোরবানির আগে চাঙ্গা রেমিট্যান্স, ২০ দিনে এলো ৩২ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত :  ১৪:০৬, ২১ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:৫৮, ২১ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও প্রবাসী বাংলাদেশিরা বেশি বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। এতে করে মাসজুড়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি মে মাসের প্রথম ২০ দিনে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২৬২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩২ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা ধরে)। সে হিসাবে চলতি মাসে প্রতিদিন গড়ে দেশে আসছে এক হাজার ৬০৯ কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২০ মে পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ১৯৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা সুবিধা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের সেবার উন্নয়ন রেমিট্যান্স বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে মে মাসের বাকি সময়েও রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে দেশে আসে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। আগস্টে আসে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার।

এছাড়া ডিসেম্বরে আসে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার এবং এপ্রিল মাসে আসে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মে মাসে দেশে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসতে পারে। যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।