প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
প্রকাশিত :
০৬:৪২, ২৬ জুন ২০২৬
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে বসেছেন। শুক্রবার চীনের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ বৈঠকটি শুরু হয়।
এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে চীনের ঐতিহাসিক তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অবস্থিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে দেশটির বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে চীনের বিপ্লবী বীরদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ জুন মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফর শুরু করেন। পরে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সামার দাভোস ২০২৬-এ অংশ নিতে চীনের দালিয়ান শহরে যান। সেখানে দুই দিন বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পর গত বুধবার বিকালে বেইজিং পৌঁছান।
বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। বৈঠকটি গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
একই দিনে বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) মধ্যে বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই রাষ্ট্রীয় অতিথিশালায় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী লি গোয়িং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সফরে প্রধানমন্ত্রী ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি বিনিয়োগ সম্মেলনে বক্তব্য দেন, যা যৌথভাবে আয়োজন করে চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রোমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। তিনি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিংয়ের সঙ্গেও দলীয় পর্যায়ে বৈঠক করেন।
চীনে অবস্থানকালে বিভিন্ন বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর শীর্ষ নির্বাহী, চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সি, চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন, চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দেশের উন্নয়নযাত্রায় আরও কার্যকর অবদান রাখার বিষয়ে আলোচনা করেন।
বেইজিংয়ে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনাসহ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অভ্যর্থনা জানানো হয়। মালয়েশিয়া সফর ও সামার দাভোসে অংশগ্রহণের মতো এই সফরেও তিনি মাত্র ২৫ সদস্যের একটি ছোট প্রতিনিধিদল নিয়ে সফর করছেন, যার মধ্যে ১১ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা শুক্রবার বিকাল ৫টায় বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
‘বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ করতে ঐকমত্য চীন-মালয়েশিয়া’
প্রকাশিত :
১৯:০৩, ২৬ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার জন্য চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে।
তিনি বলেন, আমরা অভিভূত হয়েছি যেভাবে বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার প্রধানকে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েছে, লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়েছে— এটি শুধু প্রধানমন্ত্রী না বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল গৌরবের বিষয়। যখন একজন সরকার প্রধানের ক্ষমতার উৎস হয় জনগণ, তখন কীভাবে সেই সম্মান এবং আত্মমর্যাদা বিশ্ব দরবারে ফুটে ওঠে আমরা সেটি দেখেছি।
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে মালয়েশিয়া ও চীন সফর থেকে ফিরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মাহদী আমিন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন ও মালয়েশিয়া সফর শেষে রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরাও একই ফ্লাইটে দেশে ফেরেন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান সরকারের মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বিমানবন্দরে দলীয় প্রধানকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুব সংক্ষিপ্ত বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন। এখানে তিনটি পর্ব ছিল। প্রথম পর্বে তিনি মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখানকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং রাজার সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তারপর চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের অধিবেশনে যোগদান করেছিলেন। সেখানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও সহ বেশ কিছু ইনভেস্টরদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
এবং পরবর্তীতে চীনের রাজধানীতে চীনের প্রিমিয়ার ইনভাইটেশনে গিয়ে সেখানে চীনের প্রিমিয়ার এবং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের সাথে বৈঠক হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, আপনাদেরকে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, মালয়েশিয়া এবং চীন দুই ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার রাজা এবং প্রধানমন্ত্রী এবং চীনের প্রিমিয়ার এবং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশের বিনিয়োগ কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, বাণিজ্যের প্রসার কীভাবে করা যায়, কর্মসংস্থান কীভাবে সৃষ্টি করা যায়, পিপল টু পিপল কানেক্টিভিটি অর্থাৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কালচার, মিডিয়া প্রতিটি ক্ষেত্রেই কিন্তু দুই দেশের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় কীভাবে মালয়েশিয়া এবং চীন ভূমিকা রাখতে পারে সেগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সরকার প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী এই উপদেষ্টা বলেন, দুটি দেশের সঙ্গেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। আমরা খুব আশ্বস্ত হয়েছি দেখে যে মালয়েশিয়া এবং চীন দুই দেশেরই সরকার প্রথম এবং রাষ্ট্রপ্রধান যারা রয়েছেন উনারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সে অনবদ্য, অসাধারণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন, স্মরণ করেছেন।
মাহদী আমিন বলেন, আজকের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যে অদম্য অগ্রযাত্রা রয়েছে, আন্তর্জাতিক সেই স্বীকৃতি, সেটিকে একবার সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শুধু যে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছেন কিংবা শুধু যে খুব আন্তরিকভাবে উনাকে বরণ করা হয়েছে তাই না, আমরা দেখছি চীনের যে সম্পর্ক বাংলাদেশের সঙ্গে সেই সম্পর্ককে উনি দ্বিপাক্ষিকভাবে একটা বহুমাত্রিক রূপ দিয়েছেন। যাকে আমরা বলছি লং টার্ম স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ, অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের একটা প্রসার। যেটার মূল ভিত্তি হবে কৌশল এবং অবশ্যই আমরা এর মাধ্যমে উন্নয়ন অগ্রযাত্রা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়ে যা আছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে, বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল লেভেলে সেগুলো নিয়ে একযোগে কাজ করব।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং চীন ও মালয়েশিয়ার সরকার প্রধান যারা রয়েছেন তাদের মাঝে যে উষ্ণ সম্পর্ক আমরা দেখেছি, যে আন্তরিকতা আমরা দেখেছি, ইনশাল্লাহ সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সেগুলো অনেক বড় ভূমিকা রাখবে।
বিমানবন্দরে বিএনপি নেতা-কর্মীদের না আসা প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, আজকে আমরা দেখেছি এখানে কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে নির্দেশনায় দলীয় কোনো নেতাকর্মী আসেনি। কোনো র্যালি বা সমাবেশ করতে মানা করেছেন, এই যে একটা নতুন ধরনের রাজনীতি, এই যে একটা ব্যতিক্রমধর্মী চিন্তা, সেটির বহিঃপ্রকাশ আমরা দেখেছি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক হয়েছে, সেখানে দুইটি দেশেরই উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ছিল। পরবর্তীতে শি জিনপিং এর সঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রী একান্তে বৈঠক করেছেন। তাদের মাঝে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অনেকগুলো বিষয় উঠে এসেছে এবং স্বাভাবিকভাবেই চীনের রাষ্ট্রপতি খুব বেশি প্রশংসা করেছেন শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার।
তিনি বলেন, চীনের রাষ্ট্রপতি বর্তমানে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য অদম্য ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, সামনের দিনগুলোতে চীন অবশ্যই বাংলাদেশের পাশে থাকবে, বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসাথে কাজ করার জন্য ইতোমধ্যে দুই দল, দুইটি দেশ ঐকমত্য পোষণ করেছে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, দেখুন এটা শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে না, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ওনাদের অভ্যন্তরীণ যে নীতিমালা রয়েছে সেই ইন্টারনাল প্রসিডিউর ফলো করার পরে যত দ্রুত সম্ভব যদি কোনো দেশের মার্কেট ওপেন করা হয় তবে বাংলাদেশকে ফাস্ট ট্র্যাক করা হবে, প্রায়োটাইজ করা হবে। বাংলাদেশের এটি একটি অন্যতম স্বার্থের জায়গা, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর একান্তে কথা হয়েছে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এবং তার আলোকে ডেফিনেটলি আমাদের যে চাওয়াগুলো রয়েছে, তারা ফাস্ট ট্র্যাকে যতটা আন্তরিকতার সঙ্গে, যতটা সহমর্মিতার সঙ্গে রয়েছে সেটাকে প্রসিড করার চেষ্টা করবে ইনশাআল্লাহ।
চীনের করিডোরের প্রস্তাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, অবশ্যই আমরা চাই ব্যাবসার প্রসার হোক, বাণিজ্যের প্রসার হোক। তাহলে বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন হবে। নতুন ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হবে, ট্রেড ভলিউম বাড়বে। সুতরাং আমরা ইতিবাচকভাবে দেখছি। পরবর্তীতে এটা তো এখনো একটা ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়নি, প্ল্যানিং স্টেজে যাবে এবং ফিজিবিলিটি এনালাইসিস করা হবে। কিন্তু সাধারণত আমরা তো চাই শুধু নির্দিষ্ট কোনো দেশ না, এর মাধ্যমে সাউথ ইস্টের অন্যান্য দেশের প্রতি মার্কেট একটা উৎসব তৈরি হবে, এশিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। সুতরাং অবশ্যই এটা আমরা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছি। পরবর্তীতে সামনের দিনগুলোতে এটা একটা বিশাল মহাপরিকল্পনা সেটি নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করা হবে এবং আলোচনা করা হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবদুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী), অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি ও শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন।