img

সূচকের উত্থান নয়, আস্থার প্রত্যাবর্তনই এখন মূল প্রশ্ন

প্রকাশিত :  ১২:৩৭, ০১ আগষ্ট ২০২৬

সূচকের উত্থান নয়, আস্থার প্রত্যাবর্তনই এখন মূল প্রশ্ন

✍️ রেজুয়ান আহম্মেদ 

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাস মূলত আস্থার উত্থান-পতনের ইতিহাস। এখানে সূচক যতবার বেড়েছে, তার চেয়েও বেশি আলোচিত হয়েছে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা, নীতিনির্ধারকদের সক্ষমতা এবং বাজারের প্রতি মানুষের বিশ্বাস। তাই কয়েক সপ্তাহের ইতিবাচক লেনদেন কিংবা কয়েক মাসের ঊর্ধ্বমুখী সূচককে বিচ্ছিন্নভাবে বিবেচনা করলে ভুল হবে। প্রকৃত প্রশ্ন হলো এই পরিবর্তনের ভিত্তি কতটা বাস্তব, কতটা টেকসই এবং কতটা প্রাতিষ্ঠানিক।

সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারে যে গতিশীলতা লক্ষ করা যাচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে দীর্ঘদিনের স্থবিরতার পর একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। লেনদেন বেড়েছে, সূচক শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং বাজার মূলধনও সম্প্রসারিত হয়েছে। কিন্তু একটি সুস্থ পুঁজিবাজারের প্রকৃত পরিচয় কেবল সংখ্যার উল্লম্ফনে নয়; বরং সেই সংখ্যার পেছনে থাকা অর্থনৈতিক বাস্তবতায়। সে দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে সাম্প্রতিক প্রবণতা নতুন আশাবাদের ভিত্তি তৈরি করেছে।

এই আশাবাদের সবচেয়ে বড় ভিত্তি তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ইতিবাচক আর্থিক ফলাফল। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ওষুধ, উৎপাদনশিল্প এবং কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের মুনাফা বৃদ্ধির তথ্য বাজারে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে সব প্রতিষ্ঠান সংকটে নেই; বরং দক্ষ ব্যবস্থাপনা, সুশাসন এবং কার্যকর ব্যবসায়িক কৌশল এখনো মূল্য সৃষ্টি করতে সক্ষম। বিনিয়োগকারীরাও ধীরে ধীরে সেই বাস্তবতাকে মূল্যায়ন করতে শুরু করেছেন। গুজবনির্ভর লেনদেনের পরিবর্তে মৌলিকভাবে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি একটি পরিণত বাজারের লক্ষণ।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাজারে এখন খাতভিত্তিক ভারসাম্যপূর্ণ তারল্য প্রবাহ লক্ষ করা যাচ্ছে। একসময় একটি নির্দিষ্ট খাতে অতিরিক্ত জল্পনা পুরো বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলত। এখন দেখা যাচ্ছে, কোনো একটি খাতে মূল্যবৃদ্ধি হলে বিনিয়োগকারীরা পুরো বাজার থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন না; বরং অপেক্ষাকৃত সম্ভাবনাময় অন্য খাতে বিনিয়োগ স্থানান্তর করছেন। অর্থনীতির ভাষায় এটিকে বলা হয় ‘সেক্টর রোটেশন’। এর অর্থ, বাজার ধীরে ধীরে আবেগের পরিবর্তে বিশ্লেষণনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে।

তবে এখানেই আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি এখনো একাধিক চাপের মুখে রয়েছে। শিল্প খাতে গ্যাস ও বিদ্যুতের সীমাবদ্ধতা উৎপাদন ব্যয় বাড়াচ্ছে। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা পুরোপুরি কাটেনি। রপ্তানি ও বিনিয়োগের পরিবেশেও সতর্কতা রয়ে গেছে। এসব বাস্তবতা তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ আয়কে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে কেবল বর্তমান মুনাফার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অতিরিক্ত আশাবাদী হওয়াও বিচক্ষণতার পরিচায়ক হবে না।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নীতিগত স্থিতিশীলতা। একটি পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বড় সম্পদ অর্থ নয়; বরং বিশ্বাস। নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্ত যদি ধারাবাহিক ও পূর্বানুমানযোগ্য না হয়, তাহলে শক্তিশালী মৌলভিত্তিসম্পন্ন বাজারও আস্থার সংকটে পড়তে পারে। আবার বিপরীতভাবে, স্বচ্ছ ও ধারাবাহিক নীতিমালা অনেক দুর্বল বাজারকেও ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি জোগায়। বাংলাদেশের জন্য এই শিক্ষা নতুন নয়।

আগামী কার্যদিবসে বাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক সীমার মুখোমুখি হবে। সূচক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। অতীতের অভিজ্ঞতা বলে, এমন পর্যায়ে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত মুনাফা তুলে নিতে আগ্রহী হন। ফলে কিছু বিক্রিচাপ সৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে সেটিকে বাজারের দুর্বলতার লক্ষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না। বরং একটি সুস্থ বাজারে মূল্য সংশোধন একটি স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া। অবিরাম ঊর্ধ্বগতি যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি নিয়ন্ত্রিত মূল্য সংশোধন বাজারকে আরও শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

বিনিয়োগকারীদেরও এ সময় দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব, কৃত্রিম প্রচারণা কিংবা অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ছুটলে অতীতের ভুল আবারও ফিরে আসতে পারে। বরং যেসব প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়ছে, নগদ প্রবাহ শক্তিশালী, করপোরেট সুশাসন গ্রহণযোগ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিই নজর দেওয়া উচিত। পুঁজিবাজারে দ্রুত লাভের কোনো স্থায়ী শর্টকাট নেই; দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টি হয় ধৈর্য, তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের সমন্বয়ে।

সবশেষে মনে রাখতে হবে, একটি দেশের পুঁজিবাজার কেবল তার অর্থনীতির প্রতিফলন নয়; এটি ভবিষ্যৎ অর্থনীতিরও পূর্বাভাস। যদি বাজারে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়, নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, করপোরেট সুশাসন আরও শক্তিশালী হয় এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা অটুট থাকে, তাহলে আজকের এই ইতিবাচক প্রবণতা আগামী দিনের টেকসই প্রবৃদ্ধির দৃঢ় ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।

সূচকের প্রতিটি ঊর্ধ্বগতি তাই সাফল্যের ঘোষণা নয়। প্রকৃত সাফল্য তখনই অর্জিত হবে, যখন সেই উত্থানের ভিত্তি হবে উৎপাদনশীল অর্থনীতি, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং আস্থাভিত্তিক বিনিয়োগ সংস্কৃতি। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখন সেই পরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে। আর সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য প্রয়োজন শুধু লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি নয়; প্রয়োজন সুসংহত নীতি, বাজারশৃঙ্খলা এবং আস্থার ধারাবাহিক বিকাশ।

img

দেশজুড়ে ‘ভূতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল অব্যাহত, গ্রাহকের প্রশ্ন ‘চুরি না ডাকাতি’

প্রকাশিত :  ১৫:২২, ০১ আগষ্ট ২০২৬

প্রতি বছরের মতো এবারও জুন-জুলাই মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দেশজুড়ে অভিযোগের ঝড় উঠেছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুড়িগ্রাম, হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুতের ব্যবহার প্রায় একই থাকলেও জুন মাসে বিল কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। একই অভিযোগ এসেছে প্রিপেইড ও পোস্টপেইড—উভয় ধরনের মিটারের গ্রাহকদের কাছ থেকেই।

গ্রাহকদের দাবি, বাসায় নতুন কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়নি, বরং লোডশেডিংও ছিল। তারপরও  বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা তারা পাচ্ছেন না। ক্ষোভে অনেকেই প্রশ্ন করছেন, এটা কি চুরি না ডাকাতি?

দেশে বর্তমানে প্রায় পাঁচ কোটি বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছেন। এর বড় অংশ এখনো পোস্টপেইড মিটার ব্যবহার করেন। অভিযোগ রয়েছে, অনেক এলাকায় নিয়মিত মিটার রিডিং নেওয়া হয় না। কোথাও অনুমাননির্ভর বিল করা হয়, আবার কোথাও কয়েক মাসের ইউনিট একসঙ্গে হিসাব করে বিল দেওয়া হয়। ফলে অনেক গ্রাহক উচ্চতর ট্যারিফ স্ল্যাবে চলে গিয়ে অতিরিক্ত বিলের মুখে পড়ছেন।

বিদ্যুৎ খাত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মিটার রিডিংয়ে অনিয়ম, বিলিং ত্রুটি এবং কয়েক মাসের ইউনিট একসঙ্গে যোগ হওয়ার মতো কারণে অনেক সময় বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। তবে খাতসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, অর্থবছরের শেষে রাজস্ব আয় বা সিস্টেম লসের হিসাব নিয়েও কিছু ক্ষেত্রে প্রশ্ন রয়েছে।

রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় একই চিত্র

আদাবরের এক বাসিন্দার মাসিক বিদ্যুৎ বিল সাধারণত দেড় হাজার টাকার মধ্যে থাকলেও জুনে তার বিল আসে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ টাকা। পরে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে জানা যায়, মিটার রিডিংয়ে একটি ডিজিট ভুল হওয়ায় এমন বিল হয়েছিল। সংশোধনের পর বিল নেমে আসে ১ হাজার ৪৬০ টাকায়।

নিকেতনের এক গ্রাহকের মে মাসে বিল ছিল প্রায় ৬ হাজার ৮৪২ টাকা। জুনে সেটি বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮ হাজার ৯০৯ টাকা। নারায়ণগঞ্জের এক গ্রাহকের বিল ৬ হাজার ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১ হাজার ২০০ টাকায় পৌঁছেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজনের ১ হাজার ৭০০ টাকার বিল বেড়ে প্রায় ৪ হাজার টাকা হয়েছে, আরেকজনের ৬ হাজার টাকার বিল হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার টাকা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসি ছাড়াই এক গ্রাহকের বিল ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বেড়ে ৪ হাজার ৭৬৬ টাকা হয়েছে। কুড়িগ্রামের উলিপুরে একটি ফ্যান ও একটি বাল্ব ব্যবহারের পরও এক গ্রাহকের হাতে এসেছে ৭ হাজার ২০০ টাকার বিল।

হবিগঞ্জে আবার এক নারী গ্রাহকের নামে ভুলবশত ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল ইস্যু হয়। পরে কর্তৃপক্ষ সেটিকে কম্পিউটারজনিত ত্রুটি বলে সংশোধন করে।

প্রিপেইড মিটারেও অভিযোগ

শুধু পোস্টপেইড নয়, প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের মধ্যেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। ঢাকার সূত্রাপুর থানার প্যারিদাস রোডের গ্রাহক ইসমাইল হোসেন জানান, মাত্র ১৫ দিনে প্রায় ৬ হাজার টাকার রিচার্জ করতে হয়েছে, যেখানে অন্য মাসে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায় পুরো মাস চলে যেত।

আরেক গ্রাহক সোহেল আহমদ অভিযোগ, কয়েক দিনের ব্যবধানে মিটার থেকে বারবার বড় অঙ্কের টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে, যদিও বাসায় কেবল ফ্যান, লাইট ও ফ্রিজ ব্যবহার করা হয়। নেসকোর এক গ্রাহকের দাবি, এক হাজার টাকা রিচার্জ করার তিন দিনের মধ্যেই প্রায় ৩৫০ টাকা কমে যায়।

ক্ষু্ব্ধ গ্রাহকদের মন্তব্য

সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগের এই অনিয়ম, অবহেলাকে চুরি-ডাকাতির সাথে তুলনা করে অনেক গ্রাহক সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকদের দোষারোপ করেন। তারা বলতে চান, বিদ্যুৎ বিল বাড়ানোর সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ডিমান্ড চার্জ ১০০ টাকা উঠিয়ে নেয়া হল, জনগণকে এটা আর পরিশোধ করতে হবে না; কিন্তু এখনো প্রতিমাসে ঠিকই ডিমান্ড চার্জ কেটে নেয়া হচ্ছে।  প্রধানমন্ত্রী কি এটা জানেন, না জেনেও চুপ করে আছেন? দেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তির ওয়াদাও যদি এভাবে খেলাপ হয় তাহলে জনগণ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?

উল্লেখ্য, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ব্যাপক অভিযোগের পর গত ২ জুলাই বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখের সভাপতিত্বে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সব বিতরণ কোম্পানিকে অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ দ্রুত তদন্ত, বিলিং বা কারিগরি ত্রুটি থাকলে তাৎক্ষণিক সংশোধন এবং অসদুপায় প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে, রাজশাহীতে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ নেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে ভূতুড়ে বিল বাতিল, প্রকৃত মিটার রিডিংয়ের ভিত্তিতে নতুন বিল, ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের বিল সমন্বয় এবং বিশেষ অভিযোগ সেল গঠনের দাবি জানিয়েছে।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। মিটার রিডিং ও বিলিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে এমন সমস্যা চলতেই থাকবে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গণমাধ্যমকে বলেন, কয়েকটি এলাকায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য প্রতিটি বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ সেল চালু করা হয়েছে। সেখানে যোগাযোগ করলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।