img

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটে মানুষের কষ্টে দুঃখ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত :  ১৪:৪৮, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটে মানুষের কষ্টে দুঃখ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

সারাদেশে চলমান জ্বালানি (বিদ্যুৎ-গ্যাস) সংকটে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের যে কষ্ট হচ্ছে, তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় সরকারপ্রধান দুঃখ প্রকাশ করেন।

দেশে বর্তমানে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে জ্বালানি সমস্যা। দেশের বহু মানুষ জ্বালানি সমস্যায় কষ্ট পাচ্ছেন। আমরা সেটা অস্বীকার করছি না এবং যেহেতু বিএনপি সরকার বাংলাদেশের জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার, সেজন্য এই সমস্যা সমাধানে একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এটি বাস্তবায়নের জন্য কিছু সময় প্রয়োজন। কিন্তু বিএনপি সরকার সেভাবেই কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে, ভবিষ্যতে আবারও বিশ্বে এ ধরনের কোনো সমস্যা তৈরি হলে যেন দেশের মানুষকে এই জ্বালানি সংকটে পড়তে না হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যেহেতু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আছে, সেহেতু দেশের বহু শিল্প-কারখানার মালিকসহ সাধারণ মানুষ এই জ্বালানি সমস্যায় কষ্ট পাচ্ছেন, আমি এবং আমার দলের পক্ষ থেকে তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে আমরা স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া যে সমস্যাগুলোর কারণে আজ দেশ এবং দেশের মানুষ কষ্ট ভোগ করছে, আমরা শুধু এটিকে এক্সকিউজ হিসেবে বলে দিতে চাই না; বরং এক্সকিউজ না দিয়ে আমরা বাস্তবতা তুলে ধরতে চাই মানুষের কাছে এবং একই সঙ্গে আমরা এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চাই, যাতে করে দেশের মানুষকে ভবিষ্যতে আর সমস্যায় না পড়তে হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ দলের প্রয়াত নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক স্লোগানে শুরু হয় এই আলোচনা সভা। শুরুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং দলের সাবেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সব শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বিএনপির ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর পর শুরু হয় মূল আলোচনা পর্ব।

সভা সঞ্চালনা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আমানউল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

জাতীয় এর আরও খবর

img

নদী দখল-দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ চান প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৮:২৬, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:৪০, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও একটি পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা সভায় এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং তৎসংলগ্ন খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নদ-নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং ঢাকার চারপাশে বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসংক্রান্ত কার্যক্রমের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।

এসময় গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করলে হবে না, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও কাজ করতে হবে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুসসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


জাতীয় এর আরও খবর