img

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘বিশেষ সুবিধা’, কারা কত টাকা পাবেন

প্রকাশিত :  ১৬:৫৫, ৩০ জুলাই ২০২৫

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘বিশেষ সুবিধা’, কারা কত টাকা পাবেন

নবম গ্রেড থেকে নিচের মূল বেতনের ১০ শতাংশ হারে এবং দশম গ্রেড থেকে ওপরের দিকে মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে প্রতি বছর বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক- কর্মচারীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন। অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী এই বিশেষ সুবিধা আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি বছর পাবেন।

আজ বুধবার (৩০ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি মাদ্রাসা ও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জাতীয় বেতনস্কেলের তুলনীয় গ্রেড-৯ থেকে তদূর্ধ্ব গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি বছর ১ জুলাই প্রাপ্য মূল বেতনের ১০ শতাংশ হারে এবং গ্রেড-১০ থেকে তদনিম্ন গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি বছর ১ জুলাই প্রাপ্য মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে, তবে ১ হাজার ৫০০ টাকার কম নয়, ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রাপ্য হবেন।

অফিস আদেশে আরও জানানো হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ১ জুলাই থেকে অর্থ বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক নির্ধারিত হারে ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রাপ্য হবেন মর্মে অবহিত করা হলো।

img

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরলো ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’

প্রকাশিত :  ১১:০৬, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ এর ব্যবস্থা ফের কার্যকর হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে না ধরে পরীক্ষার হলে নিয়মের ব্যত্যয় (যেমন: কথা বলা, ঘাড় ঘোরানো, দেখাদেখি) বা অসদুপায় অবলম্বনের কারণে দায়িত্বরত পরিদর্শকের মাধ্যমে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা ‘নীরব বহিষ্কার’ করা হয়। এতে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিক বুঝতে পারেন না যে, তিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন কিন্তু পরবর্তীতে পরীক্ষার খাতা বাতিল করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বন অথবা অন্য কোনো কারণে বহিষ্কার অথবা নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠায় প্রথম অংশ না ছিঁড়ে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনসহ বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত গোপনীয় ফরমে সঠিকভাবে প্রস্তুত করে বিষয় ও পত্রের পরীক্ষা শেষ হবার সাথে সাথে উক্ত পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেট করে, প্যাকেটের ওপরে লাল কালি দ্বারা স্পষ্টাক্ষরে রিপোর্টেড লিখে কেন্দ্রের অন্যান্য উত্তরপত্রের বাক্সে/বস্তায় আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে নীরব বহিষ্কারের কারণ সুস্পষ্টভাবে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকতে হবে। নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদেরকে সঙ্গত কারণেই পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি দিতে হবে। তবে পরবর্তী বিষয়ের পরীক্ষায় সে অসদুপায় অবলম্বন না করলেও তার পরবর্তী সকল বিষয়ের সৃজনশীল উত্তরপত্র (কভার পৃষ্ঠার ১ম অংশ না ছিঁড়ে) ও নৈর্ব্যক্তিক উত্তরপত্র প্রত্যেক বিষয় ও পত্রের সাথে নীরব বহিষ্কারের বিষয়, পত্র ও কারণ উল্লেখপূর্বক প্রতিবেদনসহ আলাদা প্যাকেটে কেন্দ্রের উত্তরপত্রের বাক্সে/বস্তায় পৃথকভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।  

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ নীতিমালাটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।