img

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে বড় পরিবর্তন

প্রকাশিত :  ১১:২৫, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে বড় পরিবর্তন

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায়) প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগে বড় ধরনের সংস্কার আনতে যাচ্ছে সরকার। দীর্ঘদিনের প্রচলিত পদ্ধতি বাতিল করে এখন থেকে কেন্দ্রীয় পরীক্ষার মাধ্যমে এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

আজ রোববার (৫ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠান প্রধান (প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ) এবং সহকারী প্রধান পদে কেন্দ্রীয় পরীক্ষাভিত্তিক পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে।

নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান শূন্য পদগুলোতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, নতুন নিয়োগ পদ্ধতি, পরীক্ষার কাঠামো এবং বর্তমানে শূন্য থাকা ১২ হাজার ৯৫১টি পদের নিয়োগ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে এনটিআরসিএ।

আগামী ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের দপ্তরে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপস্থিত থেকে নতুন পদ্ধতির কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরবেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেবেন তিনি।


শিক্ষা এর আরও খবর

img

দেশের এইচএসসি লেভেল সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের সমান: সংসদে ববি হাজ্জাজ

প্রকাশিত :  ১৩:২৯, ১৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:০১, ১৪ জুন ২০২৬

গত দুই দশকের অবহেলার কারণে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মান উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার মানকে অনেক ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার সঙ্গে তুলনা করা হয়। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে শিক্ষা খাতে ব্যাপক সংস্কার ও আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে সরকার একটি দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

আজ রোববার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বিগত দুই দশকের শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘অতীতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় চরম নৈরাজ্য চলেছে। যার ফলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা পাস করতে পারছে না। এমনকি আমাদের এইচএসসি লেভেলকে সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের সমান মনে করা হয়। এই লজ্জা থেকে মুক্তি পেতে আমরা কারিকুলাম, শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ এবং অবকাঠামো ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছি।’

প্রাথমিক শিক্ষার চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি থেকেই খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কারিকুলাম অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কিছু রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে যে সাংস্কৃতিক শিক্ষা সন্তানদের ভুল পথে নিয়ে যাবে। অথচ এই পক্ষই অতীতে নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে। তাদের এই নোংরা মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

বাজেটের অর্থনৈতিক দিক ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি একটি আশাবাদী বাজেট। এখানে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি এবং পুরোনো কলকারখানা পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে জাতীয় আয় বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট রূপরেখা রয়েছে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানের করতে গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি বিরোধী দলকে সরকারের এই অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষা এর আরও খবর