img

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার ‘আপসহীন’ রাজনৈতিক অধ্যায়

প্রকাশিত :  ০৬:৫৬, ১৩ মে ২০২৬

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার ‘আপসহীন’ রাজনৈতিক অধ্যায়

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে নতুন কিছু বিষয় সংযোজন ও পরিমার্জনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ভূমিকা ইতিহাসের পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, মাধ্যমিক স্তরের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বইয়ে এ পরিবর্তন আনা হবে। পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরভিত্তিক বিস্তারিত বর্ণনা এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাও নতুনভাবে যুক্ত করা হচ্ছে।

সূত্র আরও জানায়, ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির বইয়ে বিষয়গুলো সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হলেও নবম শ্রেণির বইয়ে তুলনামূলক বিস্তারিত আলোচনা থাকবে। বিভিন্ন পর্যায়ের যাচাই-বাছাই শেষে পরিবর্তনগুলো চূড়ান্ত করা হবে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী (অতিরিক্ত দায়িত্বে) বলেন, পাঠ্যবই প্রতিবছরই কমবেশি পরিমার্জন হয়। এবার যেহেতু নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বিবেচনা করে পরিমার্জনের কাজটি হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় সারা দেশের প্রায় ৩২০ জন শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞ নিয়ে কর্মশালার মাধ্যমে কাজটি করা হচ্ছে। এর মধ্যে মাধ্যমিকের বইগুলো পরিমার্জন করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার প্রাথমিকের বইগুলো পরিমার্জনের কাজ শুরু হবে।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকার সে সময় বিদ্যমান নতুন শিক্ষাক্রম থেকে সরে এসে ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমের আলোকে বই পরিমার্জন শুরু করে। একইসঙ্গে ২০২৫ সালের পঞ্চম থেকে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ও ইংরেজি বইয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ে কবিতা, প্রবন্ধ ও গদ্য সংযোজন করা হয়। পরে চলতি বছরের পাঠ্যবইয়ে ইতিহাসের অংশ হিসেবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিষয়বস্তু ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করা হয়। একইসঙ্গে নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের বিষয়টিও পাঠ্যসূচিতে স্থান পায়।

শিক্ষা এর আরও খবর

img

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৭:২৭, ২৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৪, ২৪ জুন ২০২৬

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া গেলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল পেলে, ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কেন্দ্রপ্রধানকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

আজ বুধবার (২৪ জুন) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ২ জুলাই শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলে জড়িত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। 

তিনি বলেন, পরীক্ষকদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে এলোমেলোভাবে উত্তরপত্র পুনরায় যাচাই করা হবে। কোনো পরীক্ষক সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন না করলে বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রী বলেন, সংসদে আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে।


শিক্ষা এর আরও খবর