img

কোনো বিষয়ের অনার্স বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৩:৫৫, ০৯ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:১১, ০৯ জুন ২০২৬

কোনো বিষয়ের অনার্স বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ‎জানিয়েছেন, কোনো বিষয়ের অনার্স কোর্স বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই। 

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমার জানামতে এরকম কোনো আলোচনা হয়নি। আর বাংলা মাতৃভাষা, এটা কি বাদ দেওয়া যেতে পারে? এমন কোনো আলোচনা হয়নি। আমি জানি না এই নিউজ কোথা থেকে আসলো।’

‎আজ একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাংলা, দর্শন, ইতিহাসসহ ছয় বিষয়ে অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে। 

যদিও এ দাবি ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা কারিগরিকে ইম্পর্টেন্স দিচ্ছি। আমরা আধুনিক করছি। আমরা মোর সাবজেক্ট যেগুলো মার্কেট ডিমান্ড রয়েছে সেগুলোকে আমরা দেখছি। প্রতিনিয়ত আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু বাংলা, দর্শন, ইতিহাস বাদ পড়বে এই আলোচনা আমরা কোথাও শুনিনি এবং আমরাও কোথাও করিনি। ‎মার্কেট ডিমান্ড অনুযায়ী তো কোর্স আমরা রেগুলারলি ইন্ট্রোডিউস করছি। প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি এবং প্রত্যেকটি লেভেলেই আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি। বাট বাংলাকে বাদ দিয়ে, ইতিহাসকে বাদ দিয়ে; এমন কথা কোথাও হয়নি।’

‎অনার্স কোর্স কমিয়ে আনা বা কোনো বিষয়ে অনার্স কোর্স বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেই বলেও সাফ জানান মন্ত্রী। 

‎এদিকে, আজ দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অনার্স কোর্স বন্ধের ব্যাপারে সরকার কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্ত নেই।


শিক্ষা এর আরও খবর

img

আগামী বছর প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বই

প্রকাশিত :  ১৪:২৮, ০৮ জুন ২০২৬

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ২০২৮ সাল থেকে নতুন পাঠ্যক্রম চালু হবে ।

তবে এর আগেই আগামী শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চারটি নতুন পাঠ্যবই যুক্ত হচ্ছে বলে তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

আজ সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা বিষয়ে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, যতটা দ্রুত সম্ভব শিক্ষায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হবে। এখানে শিক্ষাক্রমের মধ্যে একটি অংশ রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সংযোজন-বিয়োজন ও পরিমার্জন করতে হবে। 

এর পাশাপাশি নতুন কিছু বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী চতুর্থ শ্রেণি থেকে ক্রীড়া বিষয়টি যুক্ত করা হবে। সংস্কৃতি নামে আরেকটি বিষয়ও যুক্ত হবে চতুর্থ শ্রেণি থেকে।

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দুটি বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, একটি হচ্ছে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং আরেকটি হচ্ছে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’। এগুলো বাধ্যতামূলক বিষয় হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উপদেষ্টা বলেন, ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ একদিকে যেমন একটি বিষয় হবে। এ ছাড়া এর মূল্যবোধের নীতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেই সঙ্গে শিক্ষকদের শেখানো ও প্রশিক্ষণের বিষয়টিও এই ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’কোর্সের মধ্যে থাকবে।

শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা শেখানোর লক্ষ্যে বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যে একটি বড় অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষাক্রম ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে যতটা সম্ভব ঢেলে সাজানো হচ্ছে বলেও জানান উপদেষ্টা।

নতুন চারটি বিষয় কবে থেকে তা চালু হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাক্রম পরিবর্তন করা তিন মাসে সম্ভব নয়। প্রথমত এটিকে সঠিকভাবে পরিমার্জন করে বাস্তবসম্মত অনুধাবন করে ২০২৭ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে। আর পুরো শিক্ষাক্রম পরিবর্তনের যে আশা করা হচ্ছে, সেটা নিয়েও কাজ শুরু হয়েছে। এটি ২০২৮ থেকে দেখা যাবে। শিখন ফল অর্জনকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাক্রম করা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

সরকারের পরিকল্পনা হলো, ২০২৮ সাল থেকে নতুন করে একটি শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু করা। এই শিক্ষাক্রম প্রণয়নের রূপরেখা প্রণয়নের কাজ শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে। তবে ২০২৮ সাল থেকে একেবারে সব শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন হবে, না কি ধাপে ধাপে হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

শিক্ষা এর আরও খবর