img

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৭:২৭, ২৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৪, ২৪ জুন ২০২৬

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া গেলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল পেলে, ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কেন্দ্রপ্রধানকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

আজ বুধবার (২৪ জুন) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ২ জুলাই শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলে জড়িত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। 

তিনি বলেন, পরীক্ষকদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে এলোমেলোভাবে উত্তরপত্র পুনরায় যাচাই করা হবে। কোনো পরীক্ষক সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন না করলে বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রী বলেন, সংসদে আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে।


শিক্ষা এর আরও খবর

img

এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১০:০৪, ২৩ জুন ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশিত হবে।

আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম-এর কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সদস্যদের সাথে বৈঠক শেষে তিনি এই তারিখের কথা জানান তিনি। এর আগে, গত ৮ জুন এক সংবাদ সম্মেলনেও ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন মন্ত্রী। 

তিনি আরও বলেন, ‘সব বোর্ডের খাতা আমরা রেন্ডমলি চেক করে দেখবো, কেউ কম বা বেশি নাম্বার দিয়ে দিলো কিনা।’  

গত ২১ এপ্রিল দেশব্যাপী একযোগে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়, যা শেষ হয় ২০ মে। এরপর ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত চলে ব্যবহারিক পরীক্ষা। এ বছর মাদ্রাসা ও কারিগরিসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। 


শিক্ষা এর আরও খবর