img

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় পরিবর্তন আসছে

প্রকাশিত :  ০৭:৪৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় পরিবর্তন আসছে

সরকার আগামী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে । আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃত্তির নীতিমালা নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে। বৃত্তির অর্থের পরিমাণ কত হবে, কিভাবে তা প্রদান করা হবে, কতসংখ্যক শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কতসংখ্যক বৃত্তি বরাদ্দ থাকবে—এসব বিষয় পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে।

 ববি হাজ্জাজ বলেন, কিভাবে শিক্ষার্থীদের আরো বেশি উৎসাহিত করা যায়, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বৃত্তি পরীক্ষা আরো সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকার মেয়েদের শতভাগ শিক্ষার হার নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে নন-ফরমাল শিক্ষাব্যবস্থায়ও নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

img

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

প্রকাশিত :  ০৬:০৭, ২১ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:০৮, ২১ এপ্রিল ২০২৬

দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এ পরীক্ষা শুরু হয়। এতে সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি স্কুল-মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসছে। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বোর্ডে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মানবিক বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। বিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬৩ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২ লাখ ২১ হাজার ১৮৪ জন। অধিকাংশ বিভাগেই ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর অংশগ্রহণ বেশি।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

এবার নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে শিক্ষা প্রশাসন। সব কেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রশ্নফাঁস রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্র এলাকায় ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে বহিরাগতদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরীক্ষা ঘিরে শিক্ষামন্ত্রীর সম্ভাব্য ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ নিয়েও আলোচনা রয়েছে। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক ও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

সূচি অনুযায়ী, বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে আজ পরীক্ষা শুরু হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত এবং প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।