img

তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, তদন্তে কমিটি গঠন ইবি প্রশাসনের

প্রকাশিত :  ০৯:৩৮, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, তদন্তে কমিটি গঠন ইবি প্রশাসনের

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট করা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে । কমিটিতে আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলীকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রবিউল হক। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের জন্য বলা হয়েছে। 

জানা যায়, গত ৩০ মার্চ রাতে ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’ নামক একটি ফেসবুক পেইজ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট দেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রক্টরিয়াল বডি ও ছাত্র উপদেষ্টার সমন্বয়ে জরুরি এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, আমরা অবশ্যই বাকস্বাধীনতা চাই; কিন্তু এমন বাকস্বাধীনতা চাই না, যার মাধ্যমে মিথ্যা এবং ভুয়া তথ্য দিয়ে সাইবার বুলিং ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হবে। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে যে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট করা হয়েছে অতিদ্রুত এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে এমন শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক যাতে তারা এমন ধৃষ্টতা দেখানোর সাহস আর কখনো না করে।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. শাহজাহান আলী বলেন, মঙ্গলবার আমরা চিঠি পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত বৈঠক ডাকা হবে। টেকনিক্যাল ও আইনি— দুই দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করা হবে। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যেই রিপোর্ট প্রদানের চেষ্টা করব।


শিক্ষা এর আরও খবর

img

দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৬:৩৩, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে বাজেট ধীরে ধীরে আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীরা নতুন সিলেবাসের বই পাচ্ছে এই বছরেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়তে চাই, যেখানে কোনো শিশু শিক্ষাবঞ্চিত থাকবে না।

কারিগরি ও ব্যবহারিক জ্ঞান অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষাদানের কৌশল পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি। প্রযুক্তিকে শিক্ষককের বিকল্প হিসেবে দেখতে চাই না, বরং সহায়ক হিসেবে দেখতে চাই। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সম্প্রসারণ এবং ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, নতুন সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক পাবে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা যেন বই বিমুখ না হয়, সে জন্য শিখন কৌশল হিসেবে আনন্দময় শিক্ষা প্রয়োজন।

সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলো আধুনিকায়নের প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, উপায়হীন বিকল্প পেশা হতে পারে না শিক্ষকতা পেশা। মেধাবীরা যেন শিক্ষকতাকে পছন্দের প্রথম তাকিলায় রাখেন, সেভাবেই শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষা এর আরও খবর