img

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

প্রকাশিত :  ০৬:০৭, ২১ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:০৮, ২১ এপ্রিল ২০২৬

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এ পরীক্ষা শুরু হয়। এতে সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি স্কুল-মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসছে। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বোর্ডে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মানবিক বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। বিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬৩ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২ লাখ ২১ হাজার ১৮৪ জন। অধিকাংশ বিভাগেই ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর অংশগ্রহণ বেশি।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

এবার নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে শিক্ষা প্রশাসন। সব কেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রশ্নফাঁস রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্র এলাকায় ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে বহিরাগতদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরীক্ষা ঘিরে শিক্ষামন্ত্রীর সম্ভাব্য ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ নিয়েও আলোচনা রয়েছে। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক ও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

সূচি অনুযায়ী, বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে আজ পরীক্ষা শুরু হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত এবং প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।


img

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন

প্রকাশিত :  ০৮:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৬

পরিবর্তন হতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া । এখন থেকে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ অর্জন করতে পৃথক পরীক্ষা দিতে হবে না চাকরিপ্রার্থীদের। সরাসরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এতে আবেদন করে বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করলেই তিনি নিয়োগযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রথমবারের মতো এবার সরাসরি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ করা হয়েছে। এখন তা যাচাই-বাছাই শেষে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।

কবে নাগাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট করে দিনক্ষণ বলা সম্ভব নয়।

তবে আশা করা হচ্ছে, এক সপ্তাহের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদ রয়েছে। এসব শূন্যপদ যাচাই-বাছাই শেষে বিজ্ঞপ্তি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর তা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হবে।

অনুমোদন পেলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের পর ২০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এর পর প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ফল। দুই পরীক্ষায় পাস করতে প্রার্থীকে পৃথকভাবে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

নতুন এ পদ্ধতিতে যেসব প্রার্থী নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত হবেন, শুধু তাদের এনটিআরসিএ থেকে শিক্ষক পদে নিয়োগের একটি সনদ প্রদান করা হবে।

বর্তমানে দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৪ হাজার ১২৯। এসব প্রতিষ্ঠানে পাঁচ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষক ও দুই লাখ ৬ হাজার ৬৯৯ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।