img

৫ শতাধিক নবীন শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষাসফরে রাবি ছাত্রশিবির

প্রকাশিত :  ০৭:৩০, ২৪ নভেম্বর ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৪২, ২৪ নভেম্বর ২০২৪

৫ শতাধিক নবীন শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষাসফরে রাবি ছাত্রশিবির

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের নবীন ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে  শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে ১১টি বাস নিয়ে নওগাঁর কুসুম্বা মসজিদ, পাহাড়পুর এবং সোমপুর বিহারের উদ্দেশ্য যাত্রা শুরু করেন তারা।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, এটি শুধু একটি সফর নয়, বরং একটি আদর্শ, দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রচেষ্টা। পূর্ববর্তী সরকার এ ধরনের আয়োজন অনুমোদন না দিলেও এখন শিক্ষার্থীরা আগ্রহ নিয়ে এতে অংশ নিচ্ছে। সফরের উদ্দেশ্য সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং তাদের আদর্শিক ও সেবামূলক চরিত্র গঠন করা।

শিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত এই শিক্ষা সফরের প্রশংসা করেছেন নবীন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষা সফরে অংশ নিয়ে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, এই প্রথম শিবিরের আয়োজনে শিক্ষা সফরে যাচ্ছি। স্কুল-কলেজের শিক্ষা সফর থেকে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। যা আমাদের অ্যাকাডেমিক জীবনকে সমৃদ্ধ করে, ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করে। শিবিরের এমন আয়োজনের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।

ইতিহাস বিভাগের আরেক নবীন শিক্ষার্থী আহমেদ সানি বলেন, শিবিরের এমন উদ্যোগ আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। এই সফর শুধু ইতিহাস শেখায়নি, বরং আমাদের ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করেছে। প্রতি বছর এমন সফরের আয়োজন করলে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি উপকৃত হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. মোস্তাকুর রহমান জাহিদ জানান, আজ ৫০০’র বেশি নবীন শিক্ষার্থী নিয়ে আমরা শিক্ষা সফরে বের হয়েছি। বিগত সরকার আমাদের এসব আয়োজন করতে দেয়নি, কিন্তু আজ শিক্ষার্থীরা অনেক আগ্রহ নিয়ে উপস্থিত হয়েছে। ফ্যাসিস্টরা বিশ্বাস করত না ক্যাম্পাসে সবার আদর্শের অবাধ প্রদর্শন হবে, শিক্ষার্থীরা তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী গ্রহণ অথবা বর্জন করবে।

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আব্দুল মোহাইমেন বলেন, ৫ আগস্ট থেকে আমরা উন্মুক্ত পরিবেশে কার্যক্রম শুরু করেছি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে বিভিন্ন আয়োজন করছি। এই সফরের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও নেতৃত্বগুণ গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। এটি শুধু একটি সফর নয়, বরং একটি আদর্শ, দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রচেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং তাদের আদর্শিক ও সেবামূলক চরিত্র গঠনে উদ্বুদ্ধ করা। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে ভবিষ্যতে সমাজ ও জাতির জন্য অবদান রাখুক।

এর আগে গত ৮ নভেম্বর রাজশাহী মহানগরীর বিনোদপুরে তাদের নিজস্ব ওয়েলফেয়ারে কুরআন শরীফ, শিবিরের নাম সংবলিত চাবির রিং, কলমসহ বিভিন্ন ইসলামিক বই দিয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছিল রাবি শাখা ছাত্রশিবির।

img

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরলো ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’

প্রকাশিত :  ১১:০৬, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ এর ব্যবস্থা ফের কার্যকর হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে না ধরে পরীক্ষার হলে নিয়মের ব্যত্যয় (যেমন: কথা বলা, ঘাড় ঘোরানো, দেখাদেখি) বা অসদুপায় অবলম্বনের কারণে দায়িত্বরত পরিদর্শকের মাধ্যমে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা ‘নীরব বহিষ্কার’ করা হয়। এতে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিক বুঝতে পারেন না যে, তিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন কিন্তু পরবর্তীতে পরীক্ষার খাতা বাতিল করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বন অথবা অন্য কোনো কারণে বহিষ্কার অথবা নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠায় প্রথম অংশ না ছিঁড়ে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনসহ বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত গোপনীয় ফরমে সঠিকভাবে প্রস্তুত করে বিষয় ও পত্রের পরীক্ষা শেষ হবার সাথে সাথে উক্ত পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেট করে, প্যাকেটের ওপরে লাল কালি দ্বারা স্পষ্টাক্ষরে রিপোর্টেড লিখে কেন্দ্রের অন্যান্য উত্তরপত্রের বাক্সে/বস্তায় আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে নীরব বহিষ্কারের কারণ সুস্পষ্টভাবে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকতে হবে। নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদেরকে সঙ্গত কারণেই পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি দিতে হবে। তবে পরবর্তী বিষয়ের পরীক্ষায় সে অসদুপায় অবলম্বন না করলেও তার পরবর্তী সকল বিষয়ের সৃজনশীল উত্তরপত্র (কভার পৃষ্ঠার ১ম অংশ না ছিঁড়ে) ও নৈর্ব্যক্তিক উত্তরপত্র প্রত্যেক বিষয় ও পত্রের সাথে নীরব বহিষ্কারের বিষয়, পত্র ও কারণ উল্লেখপূর্বক প্রতিবেদনসহ আলাদা প্যাকেটে কেন্দ্রের উত্তরপত্রের বাক্সে/বস্তায় পৃথকভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।  

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ নীতিমালাটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।