img

এসএসসি পরীক্ষার নম্বর বিভাজনে বড় পরিবর্তন

প্রকাশিত :  ১৫:৪৫, ১৭ মে ২০২৫

এসএসসি পরীক্ষার নম্বর বিভাজনে বড় পরিবর্তন

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক নতুন নম্বর বিভাজন প্রকাশ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৩টি বিষয় ছাড়া বাকি সব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নতুন নম্বর বিভাজনে প্রতিটি বিষয়ের সৃজনশীল, সংক্ষিপ্ত উত্তর, বর্ণনামূলক ও বহুনির্বাচনী অংশে কত নম্বর থাকবে, তা উল্লেখ করা হয়েছে। এই নতুন পদ্ধতি ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর হবে।

বর্তমানে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এই কাঠামোর অধীনে প্রথমবারের মতো এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

নতুন কাঠামো অনুসারে, বাংলা (প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র), ইংরেজি (প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র), গণিত, উচ্চতর গণিত, বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ভূগোল ও পরিবেশ, অর্থনীতি, পৌরনীতি ও নাগরিকতা, ব্যবসায় উদ্যোগ, হিসাববিজ্ঞান, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টধর্ম শিক্ষা, কৃষিশিক্ষা, গার্হস্থ্যবিজ্ঞান, চারু ও কারুকলা, সংগীত, আরবি, সংস্কৃত, পালি এবং বেসিক ট্রেডের মতো প্রায় সব বিষয়েই পূর্ণাঙ্গ ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা, ক্যারিয়ার শিক্ষা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এই ৩টি বিষয়ে মোট ৫০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

img

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

প্রকাশিত :  ০৬:০৭, ২১ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:০৮, ২১ এপ্রিল ২০২৬

দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এ পরীক্ষা শুরু হয়। এতে সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি স্কুল-মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসছে। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বোর্ডে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মানবিক বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। বিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬৩ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২ লাখ ২১ হাজার ১৮৪ জন। অধিকাংশ বিভাগেই ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর অংশগ্রহণ বেশি।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

এবার নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে শিক্ষা প্রশাসন। সব কেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রশ্নফাঁস রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্র এলাকায় ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে বহিরাগতদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরীক্ষা ঘিরে শিক্ষামন্ত্রীর সম্ভাব্য ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ নিয়েও আলোচনা রয়েছে। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক ও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

সূচি অনুযায়ী, বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে আজ পরীক্ষা শুরু হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত এবং প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।