img

প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন ৯ জুন

প্রকাশিত :  ০৮:৪২, ২০ মে ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন ৯ জুন

ব্যানবেইস আয়োজিত জিআইেস ম্যাপিং, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জিআইএস ব্যবহারের উপকারিতা, থিমেটিক ম্যাপের উপাদানসহ নীতিনির্ধারণে জিআইএস চ্যালেন্জসমূহক শীর্ষক স্কিম বাস্তবায়ন সচেতনামূলক এক কর্মশালা বরিশালে অনুষ্ঠিত হয়েছে । 

আজ মঙ্গলবার (২০ মে)সকাল ১০ টায় বরিশাল সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ অডিটোরিয়ামে শীর্ষক স্কিম বাস্তবায়ন সচেতনামূলক কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যারো (ব্যানবেইস)।

মোঃ হারুন রশীদ (জেলা শিক্ষা অফিসার, বরিশাল)  এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ মশিউর রহমান, পরিচালক (উপসচিব) বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যারো(ব্যানবেইস)।

তিনি বলেন, GIS জরিপের মাধ্যমে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের GIS ম্যাপিং এবং থিম্যাটিকম্যাপের সাহায্যে উপস্থাপন।GIS(GeographicInformation System) হচ্ছে একটি ডিজিটাল টুল, যা ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

\'শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জিআইএস ব্যবহারের উপকারিতা: অবস্থানভিত্তিক বিশ্লেষণ

কোন এলাকায় কতগুলো প্রতিষ্ঠান রয়েছে তা জানা যায়।পরিকল্পনা ও সম্পদের সুষম বন্টনকোথায় নতুন স্কুল প্রয়োজন বা কোথায় শিক্ষকের অভাব রয়েছে তা নির্ধারণ।অবকাঠামোগত সুবিধা মনিটরিংকোন স্কুলে বিল্ডিং, স্যানিটেশন, বিদ্যুৎ সুবিধা ইত্যাদির ঘাটতি রয়েছে, তা সহজে চিহ্নিত করা যায়।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহায়ক

বন্যা বা ঘূর্ণিঝড় প্রবণ এলাকায় স্কুলগুলোর ঝুঁকি নিরূপণ করা।

থিমেটিক ম্যাপের উপাদানসমূহ:বেস ম্যাপ (Base Map):ভূ-অবস্থান ও রাস্তা, নদী, প্রশাসনিক সীমা ইত্যাদি।থিমেটিক লেয়ার (Thematic Layer):শিক্ষার তথ্য যেমন: স্কুলের ধরন, অবকাঠামো, শিক্ষক সংখ্যা ইত্যাদি।

চ্যালেঞ্জসমূহ:

১ পর্যাপ্ত স্থানিক তথ্যের অভাব।

২ তথ্য হালনাগাদকরণ সিস্টেমে ঘাটতি।

৩ প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাব।

8 মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়হীনতা।

করণীয়:

১ সেন্ট্রালাইজড জিআইএস তথ্যভান্ডার তৈরি।

২ নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ অভাব।

৩ প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি সহায়তা বৃদ্ধি।

৪ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি।

img

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

প্রকাশিত :  ০৬:০৭, ২১ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:০৮, ২১ এপ্রিল ২০২৬

দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এ পরীক্ষা শুরু হয়। এতে সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি স্কুল-মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসছে। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বোর্ডে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মানবিক বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। বিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬৩ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২ লাখ ২১ হাজার ১৮৪ জন। অধিকাংশ বিভাগেই ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর অংশগ্রহণ বেশি।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

এবার নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে শিক্ষা প্রশাসন। সব কেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রশ্নফাঁস রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্র এলাকায় ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে বহিরাগতদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরীক্ষা ঘিরে শিক্ষামন্ত্রীর সম্ভাব্য ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ নিয়েও আলোচনা রয়েছে। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক ও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

সূচি অনুযায়ী, বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে আজ পরীক্ষা শুরু হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত এবং প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।