img

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা

প্রকাশিত :  ১৪:৫৮, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা

৫৪তম জাতীয় দিবস (ইদ আল ইতিহাদ) উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকরা ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দির রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করেছে। এটি দেশটির দীর্ঘদিনের মানবিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন।

আজ বুধবার (১৪  জানুয়ারি) ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদযাপনের অংশ হিসেবে এ ক্ষমার ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতৃত্ব দেশব্যাপী বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকে ক্ষমা করে দেয়।

প্রতি বছর ঈদ, জাতীয় দিবসসহ প্রধান জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব, উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকরা দণ্ডিতদের এ ধরনের রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করেন। এর উদ্দেশ্য হলো—ক্ষমাশীলতা, সমাজে পুনরায় একীকরণ এবং পারিবারিক পুনর্মিলনকে উৎসাহিত করা।

কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, ২০২৫ সালের শেষের দিকে ক্ষমা কর্মসূচির আওতায় আমিরাত বিপুল সংখ্যক বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরাও ছিলেন। এতে তারা নিজেদের জীবন পুনর্গঠন এবং পরিবার ও সমাজে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। 

এই উদ্যোগ আমিরাতের শাসকের মানবিক মূল্যবোধ ও সহানুভূতির প্রতি প্রতিশ্রুতিকে জোরালোভাবে তুলে ধরে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস—ইদ আল ইতিহাদ প্রতি বছর ২ ডিসেম্বর পালিত হয়। দিনটিতে ১৯৭১ সালে এক পতাকার অধীনে আমিরাতসমূহের ঐতিহাসিক ঐক্যকে স্মরণ করা হয়।

img

ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাদা বৈঠকের তেমন সুযোগ হবে না: হুমায়ুন কবির

প্রকাশিত :  ০৭:৪০, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর উপলক্ষে সফরসূচি ও উদ্দেশ্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল। স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় ম্যানহাটনে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলের লবিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে চার দিনের সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান। তাই আলাদা করে এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার তেমন সুযোগ হবে না।

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে সেটি দ্বিপক্ষীয় বিষয়। উভয় পক্ষের সুবিধাজনক সময়ে পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরের মাধ্যমে সেটির আয়োজন বিবেচনা করা হবে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি চিঠি পাঠান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই চিঠিতে খুব শিগগির বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছিলেন ট্রাম্প।

সফরে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই বললেই চলে। গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর আগামী দিনে নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা, নেতৃত্ব ও নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই হবে মূল কাজ।

প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত সফরসঙ্গীর বহর প্রসঙ্গে তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্‌দী আমিন বলেন, সনাতনী ধারা ভেঙে এবার অত্যন্ত সীমিত পরিসরে প্রতিনিধিদল গঠন করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক বহরে রয়েছেন মাত্র ৩৩ জন। এর বাইরে নিরাপত্তাকর্মী, অত্যাবশ্যকীয় গণমাধ্যমকর্মী ও ব্যক্তিগত কয়েকজন কর্মী রয়েছেন। রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধ এবং বহুপক্ষীয় কূটনীতিতে দেশের স্বার্থ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতেই বহরটি সংক্ষিপ্ত রাখা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।


জাতীয় এর আরও খবর