img

এশিয়ায় কোন দেশে জ্বালানি তেলের দাম কত

প্রকাশিত :  ১২:৩৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়ায় কোন দেশে জ্বালানি তেলের দাম কত

বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওঠানামা এবং বিভিন্ন দেশের সরকারি নীতির কারণে এশিয়ার দেশগুলোতে জ্বালানি তেলের দামেও রয়েছে পার্থক্য। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘গ্লোবাল পেট্রোল প্রাইসেস’-এর সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে এশিয়ার প্রধান দেশগুলোর জ্বালানি তেলের বাজার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।

তেলের দাম সবচেয়ে কম মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে। ইরানে সরকারি বিশাল ভর্তুকির কারণে সবচেয়ে কম দামে তেল পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম মাত্র ১,২১০ ইরানি রিয়াল, যা মার্কিন ডলারে হিসাব করলে মাত্র ৩ সেন্ট থেকে ৩৬ সেন্টের মতো। আরেক প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরবে প্রতি লিটার তেলের জন্য দিতে হচ্ছে ২.৩১ সৌদি রিয়াল, যা প্রায় ৫৪ থেকে ৬২ সেন্টের সমান।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতেও রয়েছে তেলের দামে কিছুটা ভিন্নতা। মালয়েশিয়ায় সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সরকার তেলের দামে অর্থ সাহায্য দিয়ে থাকে। ফলে সেখানে প্রতি লিটার তেল পাওয়া যাচ্ছে ৪.৩৮ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতে, যা ডলারে ৫০ থেকে ৯৪ সেন্টের মতো। আর ইন্দোনেশিয়ায় প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১৬,৬৯৯ ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া, যা প্রায় ৮২ সেন্ট।

অন্যদিকে যেসকল দেশ তেল আমদানির ওপর নির্ভর করে কিংবা তেলের ওপর বেশি কর বসায়, সেখানে দাম তুলনামূলক বেশি। জাপানে প্রতি লিটার পেট্রোলের গড় দাম ১৭২ জাপানি ইয়েন, যা মার্কিন ডলারে ৯৫ সেন্ট থেকে ১.০৬ ডলার। 

চীনে প্রতি লিটার তেলের জন্য খরচ করতে হচ্ছে ৮.৬১ ইউয়ান বা ৯৯ সেন্ট থেকে ১.১২ ডলার। ভারতে লিটারপ্রতি গড় দাম পড়ে ১০৭ রুপি, যা প্রায় ৯৮ সেন্ট থেকে ১.০৭ ডলার। আর থাইল্যান্ডে প্রতি লিটার তেলের দাম গিয়ে ঠেকেছে ৪৮.১০ থাই বাতে, যা প্রায় ১.০৩ থেকে ১.২৬ ডলার। 

এদিকে বাংলাদেশে বর্তমানে পেট্রোল প্রতি লিটার ১৬০ টাকা এবং অকটেন প্রতি লিটার ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে (ডলারের হিসাবে প্রায় ১.৩০ থেকে ১.৩৪ ডলার)।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে দেশগুলো নিজেদের তেল উৎপাদন করে কিংবা জনগণের জন্য তেলের দামে ভর্তুকি দেয়, সেখানে জ্বালানি তেল বেশ সস্তা। কিন্তু বাংলাদেশ, ভারত বা জাপানের মতো যেসব দেশকে বিদেশ থেকে তেল কিনে আনতে হয় এবং সরকার তেলের ওপর শুল্ক আরোপ করে, সেখানকার সাধারণ মানুষকে বেশি দামে তেল কিনতে হচ্ছে।

সূত্র: গ্লোবাল পেট্রোল প্রাইসেস।

জাতীয় এর আরও খবর

img

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১২:৪৯, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গে  (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২২১ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮৪ জন। 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৬২ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১০১ জন।   

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৫ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৬৪৬ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৮৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ৫২ হাজার ২২৫ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি সন্দেহজনক মোট হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮০৪ জন। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪৮ জন।