img

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আয় বেড়েছে ৯ কোম্পানির, কমেছে ৮ টির

প্রকাশিত :  ১৪:৩৮, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আয় বেড়েছে ৯ কোম্পানির, কমেছে ৮ টির

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ২৩টি কোম্পানির মধ্যে এ পর্যন্ত ২০টি কোম্পানি ৩১ ডিসেম্বর (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী আলোচ্য সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ৯টি কোম্পানির। একই সময়ে আয় কমেছে ৮টির এবং ধারাবাহিক লোকসানে ৩টি কোম্পানি।

আয় বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিসমূহ

১. বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ১২ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৮ টাকা ৯০ পয়সা।

২. সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮৮ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ৯৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১ টাকা ৭২ পয়সা।।

৩. ডেসকো

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৬৬ পয়সা ।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ২৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ১৫ পয়সা লোকসান হয়েছিল।

৪. ডরিন পাওয়ার

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ২৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫৩ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ছিল ২ টাকা ১ পয়সা।।

৫. জিবিবি পাওয়ার

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬ পয়সা।।

৬. খুলনা পাওয়ার

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৪ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৮ পয়সা।

৭. পদ্মা অয়েল

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৪ টাকা ৫০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১২ টাকা ৭৩ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩০ টাকা ৫৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ২৫ টাকা ৪০ পয়সা।।

৮. শাহজীবাজার পাওয়ার

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ১৩ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে তথা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৫) প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫৩ পয়সা।

৯. ইউনাইটেড পাওয়ার

অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৯৮ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১২ টাকা ১১ পয়সা।


আয় কমে যাওয়া কোম্পানিসমূহ

১.ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ৮৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১১ টাকা ৪৬ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৯ টাকা ৫৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ছিল ১৭ টাকা ৫৯ পয়সা।।

২. ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিং স্টেশন: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৪৭ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৭৩ পয়সা।ডিএসই খবর

৩. যমুনা অয়েল: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ২৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১২ টাকা ৬৮ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে তথা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৫) প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৬৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ২৩ টাকা ৯২ পয়সা।

৪. লুবরেফ বিডি: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৮১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২৩ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ১৯ পয়সা।

৫. এমজেএল বিডি: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ২৩ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৬৬ পয়সা।

৬. মেঘনা পেট্রোলিয়াম: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৪ টাকা ৩০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৫ টাকা ৯ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২৮ টাকা ৫৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ২৭ টাকা ৮২ পয়সা।।

৭. পাওয়ার গ্রিড: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ২৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৩৬ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫ টাকা ২২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ছিল ১ টাকা ৫৫ পয়সা।।

৮. সামিট পাওয়ার: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫০ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৭ পয়সা।

তথ্যসূত্র: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
img

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত :  ০৭:৩০, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও দেশের বহিঃখাতের স্থিতিশীলতার চিত্র রিজার্ভের বর্তমান অবস্থায় প্রতিফলিত হচ্ছে।

এদিকে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের প্রবাহও বেড়েছে। চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে প্রবাসীরা দেশে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা।

গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৮০ লাখ ডলার বা প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ।

শুধু ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর—এই তিন দিনে দেশে এসেছে ১৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। ১২২ টাকা দরে এর পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৭৭০ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৯৩ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা।

গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা ১২২ টাকা দরে প্রায় ৮২ হাজার ৫৮২ কোটি টাকার সমান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস ১৯ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৯৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। ১২২ টাকা দরে এর পরিমাণ প্রায় ১১ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা।

শতাংশের হিসাবে, এ সময়ে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ।


অর্থনীতি এর আরও খবর