img

দেশের বাজারে আবারও কমল সোনার দাম

প্রকাশিত :  ০৬:৫১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বাজারে আবারও কমল সোনার দাম

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বিশ্ববাজার এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি (বিশুদ্ধ) স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা হ্রাস করা হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক বৈঠকে সোনার দাম কমানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ভালো মানের সোনার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছিল। সেই দাম কমানোর পাঁচ দিন পর ফের সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিল বাজুস।

আজ থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায় বিক্রি হবে। অন্যান্য মানের সোনার নতুন দাম নিচে দেওয়া হলো:

সোনার মান ভরিপ্রতি হ্রাস (টাকা) নতুন নির্ধারিত দাম (টাকা)

২২ ক্যারেট ২,২১৬ ২,৪৪,৭১১

২১ ক্যারেট ২,০৯৯ ২,৩৩,৫৭২

১৮ ক্যারেট ১,৮০৭ ২,০০,২১৩

সনাতন পদ্ধতি ১,৪৫৮ ১,৬৩,০৬৩

উল্লেখ্য, গত ১৫ এপ্রিলও সোনার দাম কমানো হয়েছিল। সেই সময় সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত কার্যকর ছিল।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও কিছুটা স্বস্তি এসেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৩ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৪ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।


অর্থনীতি এর আরও খবর

img

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ফুয়েল লোডিং শুরু: পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে বাংলাদেশ

প্রকাশিত :  ১২:২৪, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:০৪, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। পারমাণবিক জ্বালানি ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানি ইতিহাসে সূচিত হলো অনন্য এক অধ্যায়। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকাল ৩টার পর আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের সূচনা হয়।

এর আগে উদ্বোধনী প্রতিনিধি দল হেলিকপ্টারযোগে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়। তাদের উপস্থিতিতেই জ্বালানি লোডিংয়ের কার্যক্রম শুরু করা হয়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত যাচাই-বাছাইও শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাওয়ার পরই এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

প্রকল্পের ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস জানান, রাশিয়ার বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় এবং দেশীয় দক্ষ প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে বিকাল থেকে রিঅ্যাক্টর কোরে ১৬৩টি ফুয়েল অ্যাসেম্বলি স্থাপন করা শুরু হয়েছে।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান, ইউরেনিয়াম লোডিং সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কয়েক মাসের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।