img

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়‌কে ২২ কি‌লো‌মিটার এলাকায় যানজট

প্রকাশিত :  ০৬:৩৩, ২৬ মে ২০২৬

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়‌কে ২২ কি‌লো‌মিটার এলাকায় যানজট

ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের ঘরমুখো মানুষ। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বৃষ্টি ও যমুনা সেতু সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক গাড়ি বিকল হওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ২২ কি‌লো‌মিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। 

গতকাল সোমবার (২৫ মে) রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে মহাসড়কের রাবনা পর্যন্ত যানবাহনের থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহনের এরকম চিত্র দেখা গেছে। এতে ঈদে ঘরমুখো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের দুর্ভোগ বেশি হচ্ছে।

রাত থেকেই মহাসড়কের গোড়াই, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল বাইপাস, রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা ও যমুনা সেতু পূর্ব পাড় পর্যন্ত যানবাহনের থেমে থেমে যানজট  শুরু হয়। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে করে নিজ গন্তব্যে যাচ্ছে যাত্রীরা।  

এদিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে  যানজট নিরসনে মহাসড়কে বিভিন্ন স্থানে একহাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে । ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রায় স্বস্তিদায়ক করতে সেতুর উপর রাখা হয়েছে পুলিশের বিশেষ নজরদারি। তাছাড়া চুরি ছিনতাই ও ডাকাতি রোধে মহাসড়কে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ টহলদারি করছে।

এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর উপর দিয়ে ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। টোল আদায় হয়েছে তিন কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।

এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ১৮৬ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি  ৯৬ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ টাকা।অপরদিকে পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ঢাকাগামী ২১ হাজার ৬০ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, রাতে বৃষ্টি ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে কিছুটা জটলা তৈরি হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

img

ঈদে নাশকতার হুমকি নেই, বললেন র‍্যাবের ডিজি

প্রকাশিত :  ১০:৩৫, ২৬ মে ২০২৬

ঈদ সামনে রেখে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের নাশকতার হুমকি র‍্যাব পায়নি বলে জানিয়েছেন এলিট ফোর্সের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ। 

আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেন র‍্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ। ঈদগাহের নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।পরে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। 

আহসান হাবীব পলাশ বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থায় এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট থ্রেট (হুমকি) নেই।’

মহাপরিচালক আরও বলেন, কোনো হুমকি না থাকলেও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা প্রস্তুতি রয়েছে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি।

মহাপরিচালক বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাহিনীর সব ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় রোবাস্ট প্যাট্রলিং পরিচালনা করছে। প্রধান প্রধান ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে চেকপোস্ট স্থাপন ও তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে কালোবাজারি, অবৈধ মজুত, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, খাদ্যে ভেজাল ও নকল পণ্য বাজারজাতের মতো অপতৎপরতা ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এ ছাড়া ঈদ সামনে রেখে র‍্যাবের অনলাইন মনিটরিং কার্যক্রমও সার্বক্ষণিক চালু থাকবে। ছুটির সময়ে রাজধানী ও বড় শহরগুলোতে জনসমাগম কমে যাওয়ায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে উল্লেখ করে র‍্যাব বলেছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রাত্রিকালীন নিরাপত্তাচৌকি ও টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

ঘরমুখী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে র‍্যাব। এ ছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে র‍্যাবের নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।


জাতীয় এর আরও খবর