img

মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে ফাঁসলেন কেবিন ক্রু শিমু

প্রকাশিত :  ১২:১১, ১৫ জুলাই ২০২৬

মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে ফাঁসলেন কেবিন ক্রু শিমু

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেওয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে উল্টো মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন।

আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেওয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, খাদিজা সুলতানা শিমু বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালতে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা করেন। পরে সেটি উত্তরা পশ্চিম থানাকে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন।

সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।


বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

প্রতারণা মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিলেন নায়িকা ববি

প্রকাশিত :  ১৪:৪৭, ১৫ জুলাই ২০২৬

ব্যাটারি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইটুই সলিউশনস লিমিটেডের কাছ থেকে ব্যাটারি কিনে মূল্য পরিশোধ না করার অভিযোগে দায়ের করা প্রতারণার মামলায় জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি।

আজ বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি।

তার পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া। শুনানি শেষে আদালত এক হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গেল ১২ জুলাই ইটুই সলিউশনস লি. এর সিনিয়র ম্যানেজার মেহেদি আলম প্রিন্স গুলশান থানায় ববিসহ চার জনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। অপর আসামিরা-বিটিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মির্জা আবুল বাশার, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল আহাদ মিয়া ও অ্যাডমিন সোহেল রানা।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, গেল বছরের ১২ নভেম্বর বিকাল ৬টার দিকে আবুল বাশার ইটুই সলিউশনস লি. এর যোগাযোগ করে তার কোম্পানীর জন্য লিথিয়াম আয়রন ব্যাটারী সরবরাহ করার অনুরোধ করেন। সেই মোতাবেক ২০ নভেম্বর গুলশানের বিটিএল অফিসে পাঁচটি ৬৪ ভোল্টের ১৭০ অ্যাম্পিয়ার সরবরাহ করেন মেহেদি আলম প্রিন্স। যার মূল্য ৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৪ টাকা। ব্যাটারীর মূল্য পরিশোধের কথা থাকলেও তারা যথাসময়ে টাকা পরিশোধ না করে তালবাহানা করে।

গত ১১ জানুয়ারি সকাল ১১ টার দিকে মেহেদি আলম প্রিন্স তাদের অফিসে গিয়ে পাওনা টাকা চান। তারা কোনো টাকা দিবে না বলে জানিয়ে দেয়। তাকে বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেয়। আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ব্যাটারীর ৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৪ টাকা আত্মসাৎ করেন মর্মে মামলায় অভিযোগ করেন ৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৪ টাকা।

বাংলাদেশ এর আরও খবর