img

ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাদা বৈঠকের তেমন সুযোগ হবে না: হুমায়ুন কবির

প্রকাশিত :  ০৭:৪০, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাদা বৈঠকের তেমন সুযোগ হবে না: হুমায়ুন কবির

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর উপলক্ষে সফরসূচি ও উদ্দেশ্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল। স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় ম্যানহাটনে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলের লবিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে চার দিনের সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান। তাই আলাদা করে এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার তেমন সুযোগ হবে না।

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে সেটি দ্বিপক্ষীয় বিষয়। উভয় পক্ষের সুবিধাজনক সময়ে পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরের মাধ্যমে সেটির আয়োজন বিবেচনা করা হবে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি চিঠি পাঠান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই চিঠিতে খুব শিগগির বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছিলেন ট্রাম্প।

সফরে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই বললেই চলে। গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর আগামী দিনে নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা, নেতৃত্ব ও নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই হবে মূল কাজ।

প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত সফরসঙ্গীর বহর প্রসঙ্গে তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্‌দী আমিন বলেন, সনাতনী ধারা ভেঙে এবার অত্যন্ত সীমিত পরিসরে প্রতিনিধিদল গঠন করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক বহরে রয়েছেন মাত্র ৩৩ জন। এর বাইরে নিরাপত্তাকর্মী, অত্যাবশ্যকীয় গণমাধ্যমকর্মী ও ব্যক্তিগত কয়েকজন কর্মী রয়েছেন। রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধ এবং বহুপক্ষীয় কূটনীতিতে দেশের স্বার্থ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতেই বহরটি সংক্ষিপ্ত রাখা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।


img

দূরপাল্লায় ৮ পয়সা, সিটি সার্ভিসে ১০ পয়সা বাস ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব

প্রকাশিত :  ০৬:৪২, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিসে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। পাশাপাশি লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাবও জানিয়েছে সংগঠনটি।

আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক জরুরি প্রেসবার্তায় এসব প্রস্তাব দেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

সংগঠনটি অভিযোগ করে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর বাস ও লঞ্চের ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে যাত্রীদের প্রতিনিধিত্ব না রেখে মালিকদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সরকারি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো বাস ও লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেও যাত্রীদের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি তাদের।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির দাবি, ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে পরিবহন মালিকদের পরিচালন ব্যয় কতটা বেড়েছে এবং কত পয়সা ভাড়া বাড়ালে সেই ব্যয় সমন্বয় হবে—এ বিষয়ে কোনো স্বচ্ছ হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করা হয় না।

সংগঠনটি আরও অভিযোগ, বিগত সরকারের সময় থেকেই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সুবিধা পরিবহন মালিকদের একচেটিয়াভাবে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। ভাড়া নির্ধারণে মালিক সমিতি ও সরকারের মধ্যে বৈঠক হলেও পরে তা সব অংশীজনের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত হিসেবে প্রচার করা হয় বলে দাবি সংগঠনটির।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, জনস্বার্থে ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং ভুক্তভোগী যাত্রীদের প্রতিনিধিদেরও আলোচনায় রাখতে হবে।

এ অবস্থায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা, সিটি সার্ভিসের বাসে প্রতি কিলোমিটারে ১০ পয়সা এবং লঞ্চে প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।


জাতীয় এর আরও খবর