img

বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ভোক্তার উপর অযৌক্তিক খরচের বোঝা চাপিয়েছে সরকার

প্রকাশিত :  ১২:৫০, ১৩ মার্চ ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:৩০, ১৩ মার্চ ২০২৪

বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে ভোক্তার উপর অযৌক্তিক খরচের বোঝা চাপিয়েছে সরকার

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ভোক্তাদের মাসিক খরচ গড়ে ৯ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়বে; নিম্ম থেকে মধ্যবিত্ত পরিবারের খরচ বাড়বে ১০৬ থেকে ১১৮ টাকা- সিপিডির গবেষণা প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

‘সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি : ভর্তুকি সমন্বয়ের অন্য বিকল্প আছে কী?’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার (১৩ মার্চ) সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এর গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বিদ্যুতের বর্ধিত ক্যাপাসিটি না কমিয়ে এ খাতের ভর্তুকির চাপ সম্পূর্ণ ভোক্তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া অযৌক্তিক। ইউনিট প্রতি ৩৪ থেকে ৭০ পয়সা পর্যন্ত বেড়েছে বিদ্যুতের দাম। ৮ দশমিক ৫ শতাংশ দাম বৃদ্ধির এ সিদ্ধান্ত ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকরের ঘোষণা দিয়ে ভোক্তার ওপর এক বছরের ব্যবধানে সাড়ে ১৭ শতাংশ বাড়তি খরচের বোঝা চাপিয়েছে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়।

সিপিডির গবেষক বলেন, ভর্তুকি সমন্বয়ের নামে দরবৃদ্ধির ফলে শিল্পকারখানার খরচের পাশাপাশি ভোক্তাদের খরচ বাড়বে ৯.৪ শতাংশ। নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিইআরসিকে পাস কাটিয়ে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক।

চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ হারে বাড়তে থাকা উৎপাদন সক্ষমতা সমন্বয় না করে ভোক্তার ওপর বাড়তি চাপ দেওয়ার সমালোচনা করেন সি‌পি‌ডির গবেষকরা।

তিনি বলেন, পরিকল্পনামাফিক সরকার আরও দুইবার দাম বৃদ্ধি করলে অর্থনীতিতে চাপ আরও বাড়বে। তাই বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ে বিইআরসির গণশুনানির পদ্ধতি পুনর্বহালের দা‌বি সংস্থা‌টির।

বিদ্যুতের বর্ধিত ক্যাপাসিটি না কমিয়ে এ খাতের ভর্তুকির চাপ সম্পূর্ণ ভোক্তার ওপর চাপিয়ে দেয়া অযৌক্তিক— বলেন সিপিডির গবেষক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

প্রসঙ্গত, ১ মার্চ থেকে নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ানো হয় বিদ্যুতের দাম। এই দফায় দাম বাড়েছে ৫ শতাংশ। সব মিলিয়ে চলতি বছরের দুই মাসে সরকার ১৫ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়াল।

অর্থনীতি এর আরও খবর

img

দেশের বাজারে আরও কমল স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত :  ০৬:২০, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বাজারে আরও কমেছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। 

বাজুস জানিয়েছে, তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৯ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।

এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণের গহনা বিক্রি হয়।

বাজুস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

এ ছাড়া মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না।

পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন এ বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে বলেও জানিয়েছে বাজুস।