img

শিশুকে নির্যাতন করা সেই স্কুলের ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত :  ০৬:২৫, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

শিশুকে নির্যাতন করা সেই স্কুলের ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে ‘শারমিন একাডেমি’ নামের একটি স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি ও স্কুলটির ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে মিরপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

\r\nপুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন হুসাইন মুহাম্মদ ফারাবী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পল্টন থানার পুলিশের আরেকটি দল আরেকজন আসামি শারমিন জাহানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

এর আগে, শিশুকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষে নিয়ে মারধরের এক ঘটনায় ঢাকার পল্টন থানায় মামলা হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

\r\nভিডিওতে দেখা যায়, স্কুলের পোশাক পরা শিশুকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষে নিয়ে যান এক নারী। তিনি শিশুটিকে চড় মারেন। এরপর অফিস কক্ষে থাকা এক পুরুষ কখনো শিশুটির গলা চেপে ধরেন, কখনো মুখ চেপে ধরেন। ভয়ে শিশুটি কাঁদছিল। ওই নারী হাত ধরে তাকে আটকে রাখছিলেন। একপর্যায়ে পুরুষটি একটি স্ট্যাপলার হাতে শিশুটির কাছে এগিয়ে গিয়ে তার মুখ স্ট্যাপল করার ভঙ্গি করেন।

\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায় এমন দৃশ্য। পরে জানা যায়, এর ঘটনাস্থল রাজধানীর পল্টনের শারমিন একাডেমি নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভিডিও ফুটেজে থাকা নারী একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহান এবং পুরুষটি হলেন স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার।
\r\nবিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে গতকাল এ নিয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা হয়েছে। থানার ওসি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খান বলেন, শিশুটির মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার শিশু অধিকার আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলায় পবিত্র ও শারমিনকে আসামি করা হয়েছে। স্কুলটিও বন্ধ রয়েছে।
\r\nজানা যায়, নির্যাতনের ঘটনাটি গত ১৮ জানুয়ারি দুপুর ১টার দিকের। ৪ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে অনেকেই এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জাতীয় এর আরও খবর

img

ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১০:৩৪, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তৃতা করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যে তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দুদেশের মধ্যে যে আশা-নিরাশার দোলাচল চলছিল সেটির অবসান ঘটল। 

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের অষ্টাদশতম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। এ সম্মেলনের আয়োজক ভারত। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে সরকার প্রধান তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নিচ্ছেন না। ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে যে প্রক্রিয়ায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাতে সন্তুষ্ট নয় ঢাকা। তবে সরকারপ্রধানের ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফর হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ প্রশ্নে কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। সবশেষ ৪ সেপ্টেম্বর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছিলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

বৃহস্পতিবার প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন।

বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দিল্লি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে গেল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও ভারতের আমন্ত্রণ জানানোর প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানান। তিনি বিষয়টিকে ‘সিরিয়াসলি’ নেওয়ার কথাও বলেন।

সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেছিলেন, সরকার শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে চায় কি না, কেউ কেউ এ ধরনের স্পেকুলেট করছেন। কেউ কেউ এটা আসলে চায় না, ভারতের ওপর একটা চাপ তৈরির জন্য।

তিনি সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, আমরা একটা কথা খুব ক্লিয়ারলি বলতে চাই—মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে যখন এটাকে কন্ডিশন হিসেবে দেওয়া হয়েছে, ইউ হ্যাভ টু টেক ইট সিরিয়াসলি।