img

হোমনায় প্রবাসীর স্ত্রীসহ ২ শিশুকে গলা কেটে হত্যা

প্রকাশিত :  ০৫:৪০, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হোমনায় প্রবাসীর স্ত্রীসহ ২ শিশুকে গলা কেটে হত্যা

কুমিল্লার হোমনায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুসহ একই পরিবারের তিন জনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের মণিপুর গ্রামে নিজ বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।  

নিহতরা হলেন ওই গ্রামের প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী (২৫), ছেলে হোসাইন (৪), পাশের ঘরের আব্দুস সাত্তারের ছেলে জোবায়ের (৬)।

এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কি কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন হোমনা থানার ওসি মোরশেদুল আলম।

পুলিশ এবং স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রবাসী জহিরুল ইসলামের ঘরের দরজা খোলা দেখে আশপাশের লোক এসে দেখে তিনটি লাশ পড়ে আছে। এ সময় স্থানীয়রা প্রবাসীর স্ত্রী এবং দুই শিশুর গলাকাটা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

হোমনা থানার ওসি মোরশেদুল আলম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুই শিশুর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। কি কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। আমরা পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখছি।

অর্থনীতি এর আরও খবর

img

হরমুজ দিয়ে দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ নয়, যুক্তরাষ্ট্রকে শর্ত ইরানের

প্রকাশিত :  ০৬:২৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫টি জাহাজ চলাচলের সীমা নির্ধারণ করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রকে পাঠানো ১০ দফা প্রস্তাবের একটি হিসেবে এ শর্তের কথা জানিয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা তাস।

পারস্য উপসাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করা হরমুজ প্রণালির একদিকে ইরান, অপর দিকে ওমান। ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিদিন যে সরবরাহ আসে, তার এক পঞ্চমাংশ আসে এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর আগ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৪০টি জাহাজ চলাচল করত। যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ সংকট দেখা দেয়, যা এখনও চলছে।

হরমুজ প্রণালি শুধু তেলেরই নয়, সার, পেট্রোকেমিক্যালসহ বিভিন্ন পণ্যের বাজারেরও গুরুত্বপূর্ণ রুট। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ বাঁধার পর এসব পণ্যের বাজারেও অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে।

গত ৭ এপ্রিল ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বিরতির এই সময়সীমায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫টি শর্তের শান্তি প্রস্তাব এবং ইরানের ১০টি শর্তের শান্তিপ্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা।

তাস এর প্রতিবেদন অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে তারা রাজিই হয়েছে দিনে অনধিক ১৫টি জাহাজের শর্ত দিয়ে। বলা হয়েছে, এই ১৫টি জাহাজের গতিবিধিও ইরানের কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নিয়ন্ত্রিত হবে। জাহাজ পরিবহন পর্যালোচনা করবে ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক ররেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। উপসাগরীয় অন্য দেশগুলিকেও এই শর্তের ব্যাপারে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তাস-কে এ ব্যাপারে বলেছেন, “হরমুজ দিয়ে যে কোনো বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল এখন থেকে কঠোরভাবে ইরানের অনুমোদন এবং একটি নির্দিষ্ট প্রোটোকল কার্যকর করার ওপর নির্ভর করবে। আমাদের এই নতুন সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে আঞ্চলিক পক্ষগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। যুদ্ধ-পূর্ববর্তী স্থিতাবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

সূত্র : তাস, ইন্ডিয়া টুডে

অর্থনীতি এর আরও খবর