img

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বদলি বাণিজ্য চলবে না: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৯:২১, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:২৪, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বদলি বাণিজ্য চলবে না: শিক্ষামন্ত্রী

নতুন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের বদলি বাণিজ্য চলতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ধীরে ধীরে অ্যাপভিত্তিক করা হবে, যাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়েই শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হবে। বই বিতরণ বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দ্বিতীয় কর্মদিবসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

নকলবিরোধী অভিযানের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে নকলবিরোধী অভিযানের আর দরকার হবে না। এরআগে মন্ত্রিত্বের সময় আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ নেই, এখানে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই এবং পাবেও না।

শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক বলেন, অতীতে মব করে অটো পাশ নেওয়া ও পরীক্ষা বন্ধ করা হয়েছে। আবার ক্লাস পরীক্ষা বাদ দিয়ে শিক্ষকরা রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। তবে এটা আর হতে দেয়া হবে না। আমাদের লক্ষ্য এসব দুর করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো। শিক্ষা কারিকুলাম রিভিউ করা হবে এবং এখাতকে আধুনিকায়ন করা হবে।

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে সরকারি আওতায় আনা হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকেও সরকারি নিয়মনীতির আওতায় আনা হবে এবং কোনো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল কোনো অপরাধ করলে তাদেরও শাস্তির আওতায় আনা হবে।


img

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরলো ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’

প্রকাশিত :  ১১:০৬, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ এর ব্যবস্থা ফের কার্যকর হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে না ধরে পরীক্ষার হলে নিয়মের ব্যত্যয় (যেমন: কথা বলা, ঘাড় ঘোরানো, দেখাদেখি) বা অসদুপায় অবলম্বনের কারণে দায়িত্বরত পরিদর্শকের মাধ্যমে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা ‘নীরব বহিষ্কার’ করা হয়। এতে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিক বুঝতে পারেন না যে, তিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন কিন্তু পরবর্তীতে পরীক্ষার খাতা বাতিল করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বন অথবা অন্য কোনো কারণে বহিষ্কার অথবা নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠায় প্রথম অংশ না ছিঁড়ে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনসহ বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত গোপনীয় ফরমে সঠিকভাবে প্রস্তুত করে বিষয় ও পত্রের পরীক্ষা শেষ হবার সাথে সাথে উক্ত পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেট করে, প্যাকেটের ওপরে লাল কালি দ্বারা স্পষ্টাক্ষরে রিপোর্টেড লিখে কেন্দ্রের অন্যান্য উত্তরপত্রের বাক্সে/বস্তায় আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে নীরব বহিষ্কারের কারণ সুস্পষ্টভাবে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকতে হবে। নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদেরকে সঙ্গত কারণেই পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি দিতে হবে। তবে পরবর্তী বিষয়ের পরীক্ষায় সে অসদুপায় অবলম্বন না করলেও তার পরবর্তী সকল বিষয়ের সৃজনশীল উত্তরপত্র (কভার পৃষ্ঠার ১ম অংশ না ছিঁড়ে) ও নৈর্ব্যক্তিক উত্তরপত্র প্রত্যেক বিষয় ও পত্রের সাথে নীরব বহিষ্কারের বিষয়, পত্র ও কারণ উল্লেখপূর্বক প্রতিবেদনসহ আলাদা প্যাকেটে কেন্দ্রের উত্তরপত্রের বাক্সে/বস্তায় পৃথকভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।  

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ নীতিমালাটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।