img

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ, জানা যাবে যেভাবে

প্রকাশিত :  ০৪:৫৩, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:০৬, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ, জানা যাবে যেভাবে

আজ প্রকাশ করা হবে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ (অষ্টম শ্রেণি)-এর ফলাফল । একইসঙ্গে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা সম্বলিত গেজেট প্রকাশ করবে সবগুলো শিক্ষা বোর্ড।

আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে ফল হস্তান্তর করা হবে। তারপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফল প্রকাশ করা হবে। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এবার দুই ক্যাটাগরি মিলিয়ে ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়ার জন্য নির্বাচিত করা হবে। পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এ মেধাক্রম তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। যার একটি ট্যালেন্টপুল, অন্যটি সাধারণ বৃত্তি। বোর্ডভিত্তিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নাম্বারের ভিত্তিতে এ মেধাক্রম করা হবে।

এবার জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলা (বিষয় কোড ১০১), ইংরেজি (১০৭), গণিত (১০৯), বিজ্ঞান (১২৭) এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (১৫০) বিষয়ের ওপর। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছিল এই পরীক্ষা।  এতে অংশ নিয়েছিলেন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী। দেশের ৬১১টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে পরীক্ষা।

এবার দুইভাবে পরীক্ষার ফল দেখতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

অনলাইন পদ্ধতি: শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এই dpe.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল ২০২৬ (2026) দিলেই ফল দেখতে পাবেন।

এসএমএস পদ্ধতি: এছাড়া শিক্ষার্থীরা চাইলে তাদের মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর এবং সাল টাইপ করে ১৬২২২ (16222) নম্বরে পাঠিয়ে দিলেই ফিরতি মেসেজে ফলাফল দেখতে পাবেন।


img

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরলো ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’

প্রকাশিত :  ১১:০৬, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ এর ব্যবস্থা ফের কার্যকর হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে না ধরে পরীক্ষার হলে নিয়মের ব্যত্যয় (যেমন: কথা বলা, ঘাড় ঘোরানো, দেখাদেখি) বা অসদুপায় অবলম্বনের কারণে দায়িত্বরত পরিদর্শকের মাধ্যমে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা ‘নীরব বহিষ্কার’ করা হয়। এতে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিক বুঝতে পারেন না যে, তিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন কিন্তু পরবর্তীতে পরীক্ষার খাতা বাতিল করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বন অথবা অন্য কোনো কারণে বহিষ্কার অথবা নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠায় প্রথম অংশ না ছিঁড়ে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনসহ বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত গোপনীয় ফরমে সঠিকভাবে প্রস্তুত করে বিষয় ও পত্রের পরীক্ষা শেষ হবার সাথে সাথে উক্ত পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেট করে, প্যাকেটের ওপরে লাল কালি দ্বারা স্পষ্টাক্ষরে রিপোর্টেড লিখে কেন্দ্রের অন্যান্য উত্তরপত্রের বাক্সে/বস্তায় আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে নীরব বহিষ্কারের কারণ সুস্পষ্টভাবে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকতে হবে। নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদেরকে সঙ্গত কারণেই পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি দিতে হবে। তবে পরবর্তী বিষয়ের পরীক্ষায় সে অসদুপায় অবলম্বন না করলেও তার পরবর্তী সকল বিষয়ের সৃজনশীল উত্তরপত্র (কভার পৃষ্ঠার ১ম অংশ না ছিঁড়ে) ও নৈর্ব্যক্তিক উত্তরপত্র প্রত্যেক বিষয় ও পত্রের সাথে নীরব বহিষ্কারের বিষয়, পত্র ও কারণ উল্লেখপূর্বক প্রতিবেদনসহ আলাদা প্যাকেটে কেন্দ্রের উত্তরপত্রের বাক্সে/বস্তায় পৃথকভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।  

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ নীতিমালাটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।