img

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতের সমন

প্রকাশিত :  ০৭:১৬, ০৮ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:২৮, ০৮ মার্চ ২০২৬

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতের সমন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন গ্রহণ করেছেন আদালত।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে মামলা করার আবেদন করা হলে আদালত তা আমলে নেন এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের নির্দেশ দেন।

আজ রোববার (৮ মার্চ) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালতে রমনা থানার বিএনপির বর্তমান সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামি নাসীরুদ্দিনকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন। 

বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম আমির এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আমরা আজ সকালে আদালতে মামলার আবেদন জমা দেই। পরে শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। 

এর আগে সকালে মির্জা আব্বাসের পক্ষে মামলার আবেদন করেন রমনা থানা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম। সে সময় মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মো. আমিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

বাদী তার অভিযোগে উল্লেখ করে বলেন, নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারী গত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি নিয়ে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিপুল ভোটে হেরে যায়। নির্বাচনের সময় এই আসামি বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে আসছেন। নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনে বিপুল ভোটে হেরে যাওয়ার পর আরও বেশী করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে মিথ্যা মানহানিকর বক্তব্য ও বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছেন। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে বাদী দেখেন নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারীর মানহানিকর হুবহু বক্তব্যে কয়েকটি অনলাইন নিউজ মিডিয়াতে এসেছে।

বাংলাদেশ ক্রিমিনাল র‍্যাংকিংয়ে নাম্বার ওয়ান গডফাদার ‘মির্জা আব্বাস’ এই বক্তব্যগুলো অত্যন্ত মানহানিকর ও নিন্দনীয় কাজ। এসব বক্তব্য গুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল করে দিয়ে মির্জা আব্বাসের সম্মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামির এসব বক্তব্য ফেসবুকে বাদী ও মির্জা আব্বাস বিস্মিত হয়েছে। বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারী এসব বক্তব্য দেখেছেন। 

নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারী উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে একের পর এক বাদী ও মির্জা আব্বাসের সুনাম ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কালিমা লেপনের জন্য মিথ্যা, বানোয়াট বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে সব প্রকার শিষ্টাচার, সভ্যতার রীতিনীতি বহিঃভূত এবং মানহানিকর বলে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়।


 


img

এনসিপিকে বাড়তি নারী আসন দিচ্ছে জামায়াত

প্রকাশিত :  ০৮:৫৯, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দুইজনকে মনোনয়ন দিতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির সম্ভাব্য চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মনিরা শারমিন

\r\n

দলটির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তাদের দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল, যাচাই-বাছাই ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল।

জোটভিত্তিক বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি ও তাদের মিত্রদের ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটকে ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত হয়েছে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি আসনে বিজয়ী হওয়ায় ১টি সংরক্ষিত নারী আসন পাচ্ছে। সেই সাথে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা করে আরও একটি দাবি করেছে তারা। এর অংশ হিসেবে জামায়াত তাদের কোটা থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং এনসিপির কোটায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মনিরা শারমিনকে মনোনয়ন দিতে যাচ্ছে দলটি।

এনসিপির একাধিক সূত্রমতে, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলের পক্ষ থেকে দুইজনকে সম্ভাব্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ডা. মাহমুদা মিতু ও মনিরা শারমিন। জামায়াতের কাছে আমরা একটি অতিরিক্ত আসন চেয়েছি, তারা রাজি হয়েছে। আমরা ২০ তারিখের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দেব।

এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত ঢাকা পোস্টকে বলেছেন, ‘সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থিতার ব্যাপারে দলের শীর্ষ পর্যায়ে এবং আমাদের জোটের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে, এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রার্থী হতে চেয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ এবং সেগুলো যাচাই-বাছাইয়ের বিষয় রয়েছে, এসব প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই আমরা প্রার্থিতার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। সময় হলে দলের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।’

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ ঢাকা পোস্টকে বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটের ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে একটি এনসিপি পাবে। জোটের কারণে এনসিপিকে আরও একটি বাড়তি নারী আসন দেওয়া হবে। জাগপাকে একটি আসন দেওয়া হবে। এ ছাড়া জুলাই যুদ্ধে নিহত একজন শিশুর মাকে আমরা মনোনয়ন দিচ্ছি।’


জাতীয় এর আরও খবর