img

২০ নাকি ২১ মার্চ, কবে ঈদুল ফিতর?

প্রকাশিত :  ০৫:১৩, ১৩ মার্চ ২০২৬

২০ নাকি ২১ মার্চ, কবে ঈদুল ফিতর?

বরকতময় পবিত্র রমজান মাস শেষ হতে চলেছে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ঈদুল ফিতর উদযাপনের ক্ষণগণনা। দিন যত গড়াচ্ছে সবার প্রতীক্ষা কবে হতে পারে ঈদুল ফিতর। এ নিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছে পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ কমিশন (সুপারকো)।

সংস্থাটির মতে, আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছর রমজান মাস ২৯ নাকি ৩০ দিনের হবে—তা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এমন তথ্য জানালো সংস্থাটি।

বুধবার (১১ মার্চ) এক বিবৃতিতে সুপারকো জানায়, ১৯ মার্চ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। ফলে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

সুপারকো-র তথ্যমতে, ১৪৪৭ হিজরির শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদের জন্ম হবে আগামী ১৯ মার্চ পাকিস্তান সময় সকাল ৬টা ২৩ মিনিটে। ওই দিন সূর্যাস্তের সময় নতুন চাঁদের বয়স হবে আনুমানিক ১২ ঘণ্টা ৪১ মিনিট। পাকিস্তানের উপকূলীয় অঞ্চলে সূর্যাস্ত এবং চন্দ্রাস্তের মধ্যে সময়ের ব্যবধান থাকবে মাত্র ২৮ মিনিট।

সাধারণত চাঁদ দেখার জন্য সূর্যাস্তের পর আকাশে চাঁদের অবস্থানের যে সময় ও উচ্চতা প্রয়োজন, তা ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় পর্যাপ্ত থাকবে না। এই বৈজ্ঞানিক প্যারামিটার বা মাপকাঠি অনুযায়ী, ২১ মার্চকে ১ শাওয়াল বা ঈদুল ফিতরের দিন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

সুপারকো এই পূর্বাভাস দিলেও তারা স্পষ্ট করেছে, ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় রুয়েত-ই-হিলাল কমিটি। সারা দেশ থেকে নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য এবং যাচাইকৃত পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই তারা ইসলামী মাস শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান সরকার দীর্ঘকাল ধরেই বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহ্যগত—উভয় পদ্ধতির সমন্বয় করে আসছে। এক্ষেত্রে রুয়েত-ই-হিলাল কমিটিকে কারিগরি সহায়তা দিতে সুপারকো-র গণনা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

এ বছর গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজানের রোজা শুরু হয়েছিল। আকাশ পরিষ্কার থাকা সাপেক্ষে ২০ মার্চ সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে ২১ মার্চ উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর।


img

হজযাত্রীদের সেবায় ব্যর্থ হলে আমাদের পদত্যাগ করা উচিত : ধর্মমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১১:২৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

হজযাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি বলেন, আমরা হজযাত্রীদের খাদেম এবং তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।

\r\n

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাজী ক্যাম্প পরিদর্শনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে হজযাত্রাকে সামনে রেখে রাজধানীর আশকোনায় হজক্যাম্পে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে ধর্মমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন।

চলতি বছরের প্রথম হজ ফ্লাইটটি শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ হজযাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) থেকেই হজক্যাম্পে আসতে শুরু করেছেন হজযাত্রীরা।

এসময় মন্ত্রী হজ ফ্লাইট উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সামগ্রিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং হজক্যাম্পে সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

তিনি হজযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের হজযাত্রার প্রস্তুতি, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য বিষয়েও খোঁজ নেন।

এ সময় ক্যাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের টিম লিডারদের সঙ্গে কথা বলেন ধর্মমন্ত্রী।

তাদের উদ্দেশে শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন বলেন, হজযাত্রীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে পবিত্র এই সফরে যেতে পারেন সে বিষয়টি সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এছাড়াও হজযাত্রীদের সেবায় সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার অনুরোধ জানান তিনি।

হজ ক্যাম্পে ছারপোকা এবং মশার উপদ্রব নিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, যা করার দরকার তাই করবো।