রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) গরমের দাপট অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে বৃষ্টি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। সেই সঙ্গে শুষ্ক থাকতে পারে আবহাওয়া। এ ছাড়া দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিকে সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮১ শতাংশ।
ওমান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি জব্দ করার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে হরমুজ প্রণালি হয়ে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছে ইরানের একটি পণ্যবাহী জাহাজ। চালবাহী ওই জাহাজটিকে মার্কিন বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করতে এবং এর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সরাসরি পাহারার দায়িত্ব পালন করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ-ইউনিট।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনী ওমান সাগরে জাহাজটিকে বাধা দেওয়ার এবং সেটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে ইরানি বাহিনীর সময়োচিত হস্তক্ষেপ ও বিশেষ নিরাপত্তার কারণে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
চালবাহী ওই জাহাজটি বর্তমানে অবরোধের মুখে থাকা হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে নির্ধারিত বন্দরে নোঙর করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই ঘটনাকে আঞ্চলিক জলসীমায় চলমান উত্তেজনার একটি অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান অভিমুখে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে অবরোধের ডাক দেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে এই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরীসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৬টি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে।
এছাড়া সেন্টকমের তথ্যমতে, আরও একটি বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগিয়ে আসছে এবং ইতিমধ্যে তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করেছে।
উভয় দেশের মধ্যে বিরাজমান এই অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে আইআরজিসি-র এই পদক্ষেপকে নিজেদের সমুদ্রসীমা ও বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, ১৩ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলোতে যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি এবং মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে।