img

ইসহাকসহ ৩ হাজার নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন আজ

প্রকাশিত :  ০৮:১৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইসহাকসহ ৩ হাজার নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন আজ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে ধারাবাহিকভাবে পরিচিত রাজনৈতিক নেতাদের যোগদান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই নতুন মুখ যুক্ত হয়ে দলটির পরিধি বাড়ছে।

\r\n

জাতীয় নির্বাচনের আগে কিছু নেতা দল ছেড়ে গেলেও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আবারও নতুন সদস্যদের আগমন বেড়েছে। আজ বিকাল ৩টায় রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে দলটির সবচেয়ে বড় যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে এনসিপি।

অনুষ্ঠানে সাবেক যুবদল নেতা মোহাম্মদ ইসহাক সরকার, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ফেরসামিন হক ইকবাল, জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মহিউদ্দিন রনি যোগদান করছেন। ইসহাক সরকার প্রায় ৩ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে এনসিপিতে যোগদান করবেন-এমনটা জানিয়েছেন এনসিপির শীর্ষ এক নেতা। ইতঃপূর্বে বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, দলের অঙ্গসংগঠনের শতাধিক নেতা দলটিতে যোগদান করেছেন। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে যোগদান কার্যক্রম চালু রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এনসিপির শীর্ষ এক নেতা জানান, সাবেক যুবদল নেতা ইসহাক সরকারসহ যোগদান করবেন-এমন নেতাকর্মীদের পরামর্শেই যোগদান অনুষ্ঠানের জন্য বড় স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ইসহাক সরকারের নেতৃত্বে প্রায় ৩ হাজার নেতাকর্মী যোগদান করবে। একসময় যিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন, তিনিই এখন এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন। ১৯৯৬ সাল থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে থাকা এই নেতাকে ৪ ফেব্রুয়ারি সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি বহিষ্কার করে। সর্বশেষ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রতীক ‘ফুটবল’ নিয়ে লড়ে তিনি তৃতীয় স্থানে ছিলেন।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, এনসিপিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পরিচিত মুখ-নেতা এনসিপিতে যোগদান করছেন। ইসহাক সরকারের আলোচনা হয়েছে এবং যোগদান চূড়ান্ত পর্যায়ে। দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতির পদে তাকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এনসিপির অপর এক শীর্ষ নেতা জানান, বিএনপিসহ অনেক রাজনৈতিক দলের নেতারা এনসিপিতে পর্যায়ক্রমে যোগদান করবেন। যারা ইতঃপূর্বে দল থেকে নানানভাবে অবহেলা এবং বহিষ্কৃত হয়েছেন, ওইসব দক্ষ নেতা এনসিপির পতাকাতলে আসছেন।

এদিকে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত আবুল কাশেম ফজলুল হক ‘শেরেবাংলা’র নাতনি ফেরসামিন হক ইকবালও দলটিতে যোগদান করছেন। তার যোগদানের মধ্য দিয়ে উপমহাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সঙ্গে এনসিপির একটি ঐতিহাসিক সংযোগ স্থাপিত হবে।

শুক্রবারের যোগদান অনুষ্ঠানে ডিজিটাল ভয়েস হিসাবে পরিচিত নূরুজ্জামান কাফিও যোগদান করছেন বলে নিশ্চিত করেছে এনসিপি। ২০০১ সালে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপজেলায় জন্ম নেওয়া নুরুজ্জামান কাফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কাফি ভাই’ নামে পরিচিত।

এনসিপির যোগদান অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন মহিউদ্দিন রনিও। অ্যাক্টিভিজম থেকে সাংগঠনিক রাজনীতির দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি আগেও রেলওয়ের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কমলাপুর রেলস্টেশনে দীর্ঘ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে ব্যাপক পরিচিতি পান।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মহিউদ্দিন রনি বলেন, ‘এনসিপিকে ভালোবাসি। এনসিপিতে যোগদান-ইনশাআল্লাহ, দেখা যাক। রাত ১২টা পর্যন্ত ভাবছি। ভালোই হবে।’ এদিকে ১৯ এপ্রিল রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আপ বাংলাদেশ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৪৭ নেতাকর্মী একযোগে দলে যোগ দেন। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করেন, কারও অতীত পরিচয় নয়, বর্তমান আদর্শ ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তিই যোগদানের মানদণ্ড। 

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

সয়াবিন তেলের বাজারে চলছে সিন্ডিকেটের নৈরাজ্য

প্রকাশিত :  ০৮:২৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সরকারকে চাপে ফেলে সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে । পর্যাপ্ত আমদানি ও মজুত থাকার পরও মিলপর্যায়ে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় খুচরা বাজার থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেল একপ্রকার গায়েব হয়ে গেছে।

এই সুযোগে বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ২১০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও চক্রটি নিজেদের খেয়ালখুশিমতো দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে এবং বাজার অস্থিতিশীল করে তুলেছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ ক্রেতার।

এ বিষয়ে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, দেশের ৪ থেকে ৫টি বড় কোম্পানি সয়াবিন তেলের বাজারের ৮৫-৯০ শতাংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। বাকি ১০-১৫ শতাংশ অন্য ছোট কোম্পানিগুলো সরবরাহ করে।

ওইসব বড় কোম্পানি দেশের চাহিদামতো তেল আমদানির পর রিফাইন করে বাজারে ছাড়ে। বাড়তি মুনাফা করতে তারা বছরের একেক সময় তাদের ডিলারদের মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দেয়। সরকারকে চাপে ফেলে সাধারণ ভোক্তাকে জিম্মি করে মূল্য বাড়িয়ে নেয়। এমন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

এদিকে এপ্রিলের প্রথম দিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেখানে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ২০৭ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৯৫ টাকা।

এছাড়া ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১ হাজার ২০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বর্তমানে ৯৫৫ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮৫ টাকা, পাম তেল ১৬৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে প্রতিলিটার ১৭৭ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ মূল্য সরকারের অনুমতি পাওয়ার আগেই তারা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ১২ এপ্রিল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বৈঠকে তিনি বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কোনোভাবেই দাম না বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি কঠোর পদক্ষেপের কথা জানান। তবে বৈঠকের ১১ দিনেও বাজারে সয়াবিন তেল সরবরাহ বাড়েনি।

মন্ত্রী কড়া অবস্থানে থাকলেও ওই সিন্ডিকেট বাজারে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। মুদি দোকান থেকে দিনে ২০ কার্টনের চাহিদা দিলেও সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র দুই থেকে চার কার্টন। এমন পরিস্থিতিতে চাহিদা বাড়ায় সুযোগ বুঝে খোলা সয়াবিনের দামও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে লিটারে ৩৪ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বিপাকে পড়ছেন সব শ্রেণির ক্রেতা।

মঙ্গলবার নয়াবাজারের মুদি ব্যবসায়ী তুহিরন বলেন, রোজার শুরু থেকেই কোম্পানিগুলো তেল সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। ২০ কার্টন চাহিদা দিলে ২-৩ কার্টন দিয়ে যাচ্ছে। কোম্পানিগুলো ডিলারদের মাধ্যমে এমন কারসাজি করছে। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। টার্গেট ছিল ঈদের আগেই দাম আরেক দফা বাড়ানোর। কিন্তু নতুন সরকারের কঠোর তদারকিতে তা পারেনি। তাই ঈদের পর আবার দাম বাড়াতে পাঁয়তারা শুরু করেছে ৫ থেকে ৬টি কোম্পানির প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।

এ দিন বাড্ডা এলাকার গুদারাঘাট বাজারের পাঁচটি দোকানের চারটিতে বোতল সয়াবিন তেলের সংকট দেখা গেছে। এক ও দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই। ৫ লিটারের কয়েকটি বোতল বিক্রি করতে দেখা যায় তাদের। ক্রেতারা যে দোকানে খোলা তেল পাচ্ছেন কিনে নিচ্ছেন। একই দিন নয়াবাজারের চারটি মুদি দোকান ঘুরে তেলের সংকট দেখা গেছে। ৭ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির কাওরান বাজার ও শান্তিনগর বাজারে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়েও এমন চিত্র দেখতে পেয়েছেন।

গুদারাঘাট বাজারের ভাই ভাই জেনারেল স্টোরের বিক্রেতা আল আমিন বলেন, ৫ লিটারের এক বোতল সয়াবিন তেলের গায়ের দাম (এমআরপি) ৯৫৫ টাকা। ডিলারের কাছ থেকে আগে এই তেল ৯৩০ টাকায় কিনতাম, বিক্রি করতাম ৯৪০ টাকায়। ১০ টাকা লাভ থাকত। কিন্তু রোজার মধ্যে ৫ লিটারের বোতল কিনতে হয়েছে ৯৫০ টাকায়, বিক্রি করতে হয়েছে ৯৫৫ টাকায়। ডিলার পর্যায় থেকে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে খুচরা পর্যায়ে ৫ টাকা লাভ কমেছে।

কাওরান বাজারের তীর ব্র্যান্ডের ডিলার এটিএন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সেলিম বলেন, রোজায় তীরের তেলের বেশ সংকট ছিল। স্বাভাবিক সময়ে দুই থেকে আড়াইশ কার্টন তেল পেতাম। সেখানে তখন কোম্পানি মাত্র ৫০ কার্টন তেল দিত। তাই তখন খুচরায় তেল সরবরাহ কমিয়ে দিতে হয়েছিল। তবে ঈদের আগে সরবরাহ কিছুটা বেড়েছিল। এখন আবার সরবরাহ কিছুটা কম। তাই খুচরা বাজারে বোতল সয়াবিন কম সরবরাহ করতে পারছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টিকে গ্রুপের এক কর্মকর্তা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম টনপ্রতি ১৩৭০ ডলার, যা আগে ১১০০ ডলার ছিল। যখন ১১০০ ডলার ছিল, তখন দেশে দাম সমন্বয় হয়েছে। এখন বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় তা ফের সমন্বয় করতে হবে। কারণ বাজারে কয়েক মাস ধরে লোকসান গুনতে হচ্ছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে। এতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। কোম্পানিগুলো কতদিন এভাবে লোকসানে পণ্য বিক্রি করবে?

এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। বর্তমানে বাজারে ১ লাখ ৭০ হাজার টন তেল মজুত আছে। আরও ৩ লাখ ৬০ হাজার টন পাইপলাইনে রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ কারণে সরকার বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সরকার ভোক্তা স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে এই সময়ে যেন কোনো পণ্যের দাম না বাড়ে। সেটিকে লক্ষ্য হিসাবে নিয়ে আমরা যথাযথ পদক্ষেপ নেব।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১০ নভেম্বর লিটারে ৯ টাকা বাড়ানোর অনুমতি চেয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। ২৪ নভেম্বর তারা আবারও মূল্য সমন্বয়ের সুপারিশ করে। অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে দুবার অনুমতি চাওয়া হলেও মন্ত্রণালয় তখন সাড়া দেয়নি। একপর্যায়ে ব্যবসায়ী সংগঠন সরকারকে পাত্তা না দিয়ে অনুমতি ছাড়াই প্রতি লিটারে ৯ টাকা বাড়িয়ে খুচরা পর্যায়ে বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৮ টাকায় বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। মোড়কে নতুন দাম উল্লেখ করে বাজারে ছাড়া হয় তেল। তখন ক্রেতাকে বাধ্য হয়ে বাড়তি দামেই তেল কিনতে হয়েছে। সরকারকে না জানিয়ে কোম্পানিগুলো ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোয় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন।