img

ইরানের দেওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত :  ২০:০৮, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের দেওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধ বন্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের দেওয়া প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ নীতিনির্ধারকদের আলোচনার টেবিলে রয়েছে।হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ নীতিনির্ধারকেরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করছেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করছি, প্রেসিডেন্ট আজ সকালে তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকটি এখনো চলছে কি না, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত নয়। তবে ইরানের দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে।’

চলমান যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতে ওয়াশিংটনের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। তবে এতে ইরান একটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে; তাদের দাবি অনুযায়ী, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিতর্কিত আলোচনাগুলো এই মুহূর্তে নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্য স্থগিত রাখতে হবে।

এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই অনড় অবস্থানে রয়েছেন যে, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না। ক্যারোলাইন লেভিট বলেন, ইরানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমাগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে গেল সংযুক্ত আরব আমিরাত

প্রকাশিত :  ১৫:৫৫, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:০২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানায়। বিশ্লেষকদের মতে, জোটটির অন্যতম প্রভাবশালী নেতৃত্বদানকারী দেশ সৌদি আরবের জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে আমিরাতের সরে দাঁড়ানো ওপেক জোটের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে ভূরাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ওপেক ও ওপেক প্লাসভুক্ত দেশগুলো সাধারণত ঐক্য বজায় রেখেছে। তবে আমিরাতের এই পদক্ষেপ জোটটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য কৌশলগতভাবে ইতিবাচক হতে পারে। অতীতে ট্রাম্প ওপেকের বিরুদ্ধে তেলের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানোর অভিযোগ এনে সমালোচনা করেছিলেন।

এদিকে, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনার সময় আমিরাত অভিযোগ তোলে যে, ইরানের হামলার মুখে পড়লেও আরব মিত্রদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা পায়নি তারা। এই অসন্তোষও জোট থেকে বেরিয়ে আসার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।

এর আগে সোমবার এক সম্মেলনে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাস আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, লজিস্টিক সহায়তা থাকলেও রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে পৌঁছেছে।

তিনি আরও বলেন, আরব লীগের কাছ থেকে দুর্বল প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশিত হলেও গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান তাকে বিস্মিত করেছে।

সামগ্রিকভাবে, আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: আলজাজিরা

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর