img

মিত্র দেশগুলোতে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন ট্রাম্প প্রশাসনের

প্রকাশিত :  ০৬:২১, ০২ মে ২০২৬

মিত্র দেশগুলোতে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন ট্রাম্প প্রশাসনের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর জন্য ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। মিত্র দেশ ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে বিক্রি করা হবে এসব সামরিক সরঞ্জাম।

গতকাাল শুক্রবার (১ মে) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। 

ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তিতে যুদ্ধবিমান, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার নয় সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় পূর্ণ হয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার জানিয়েছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে তেহরানের দেওয়া নতুন প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধের অবসান নিয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তার মতে, আলোচনায় অগ্রগতি হলেও চূড়ান্ত সমাধান এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, একটি জরুরি অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোতে অবিলম্বে অস্ত্র বিক্রি করা প্রয়োজন।

ঘোষণাগুলোর মধ্যে কাতারের কাছে ৪ দশমিক শূন্য ১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের প্যাট্রিয়ট বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ পরিষেবা। ৯৯২ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র (এপিকেডব্লিওএস) বিক্রির অনুমোদন অন্তর্ভুক্ত ছিল।

কুয়েতের কাছে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম। ইসরায়েলের কাছে ৯৯২ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদনও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। 

স্টেট ডিপার্টমেন্ট সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ১৪৭ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার মূল্যের অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। 


 

জাতীয় এর আরও খবর

img

হৃদযন্ত্রে ব্লক, ব্রিটেনে রাষ্ট্রপতির জরুরি এনজিওপ্লাস্টি

প্রকাশিত :  ২০:০৩, ১২ মে ২০২৬

ব্রিটেনে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের হৃদযন্ত্রের একটি ধমনীতে গুরুত্বপূর্ণ ব্লক ধরা পড়েছে। এরপর জরুরিভিত্তিতে তার এনজিওপ্লাস্টি করা হয় এবং একটি স্টেন্ট (রিং) স্থাপন করা হয়। অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে বঙ্গভবনের প্রেস উইং এই তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত চিকিৎসক কর্নেল ডা. এ কে এম ফয়জুল হকের বরাত দিয়ে প্রেস উইং জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম সম্পন্ন হয়। পরীক্ষায় হৃদযন্ত্রের একটি ধমনীতে উল্লেখযোগ্য ব্লক শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করা হয় এবং স্টেন্ট বসানো হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতি দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে (এনইউএইচ) ওপেন হার্ট সার্জারি করান। এরপর থেকে হৃদযন্ত্র-সংক্রান্ত জটিলতার ফলো-আপ চিকিৎসার অংশ হিসেবে তিনি নিয়মিত ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে আসছেন। বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য সুপরিচিত এই হাসপাতাল বিশ্বে প্রথম সফল হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম হিসেবে স্বীকৃত।

রাষ্ট্রপতি গত ৯ মে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনের পথে ঢাকা ত্যাগ করেন। চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।