img

আসামে ভূমিকম্প, কাঁপল বাংলাদেশও

প্রকাশিত :  ১২:৩৭, ০৯ মে ২০২৬

আসামে ভূমিকম্প, কাঁপল বাংলাদেশও

ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবরি জেলার বিলাসিপাড়ার ১৩ কিলোমিটার পশ্চিমে দুপুরে মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের কিছু জায়গায়ও এই কম্পন টের পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।

আজ শনিবার (৯ মে) ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (এনসিএস) বরাতে ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।

আন্তর্জাতিক জলসীমায় থাকা তেল চীনের কাছে বিক্রির চেষ্টা ইরানের

ভূমিকম্পটি অগভীর হওয়ায় এর কম্পন আশপাশের এলাকায় তুলনামূলক বেশি অনুভূত হয়েছে। তবে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই। কোথাও কোথাও ঘরের আসবাবপত্র নড়ে যাওয়া, তাক থেকে জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া বা জানালার কাঁচ ভাঙার মতো ছোটখাটো ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি আনন্দ নগর ও বিলাসিপাড়ায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে। এছাড়া গৌরীপুর, ধুবরি, কোকরাঝাড়, লক্ষ্মীপুর, চাপার এবং বঙ্গাইগাঁও এলাকাতেও দুর্বল মাত্রার কম্পন টের পাওয়া গেছে।

ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা ও কেন্দ্রস্থল সংক্রান্ত তথ্য পরবর্তী সময়ে সংশোধন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

img

৭ জেলায় বজ্রপাতের আশঙ্কা

প্রকাশিত :  ১৪:০৮, ০৯ মে ২০২৬

দেশের সাত জেলায় বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যার মধ্যে এসব এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বরগুনা, নীলফামারী ও পঞ্চগড় জেলার কিছু স্থানে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি বা বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় ঘরের বাইরে না যেতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানিয়েছে, এটি মূলত বজ্রপাত-সংক্রান্ত সতর্কবার্তা। বৃষ্টির শুরু, স্থায়িত্ব বা পরিমাণ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। 

কারণ, বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে, চলাকালীন কিংবা বৃষ্টি শেষ হওয়ার পরও বজ্রপাতের শব্দ শোনা যেতে পারে। তাই সর্বশেষ বজ্রধ্বনি শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট পর্যন্ত বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকতে পারে।