img

বিপৎসীমার ওপরে ৭ নদীর পানি, ধেয়ে আসছে বন্যা

প্রকাশিত :  ০৯:৪৩, ০৪ মে ২০২৬

বিপৎসীমার ওপরে ৭ নদীর পানি, ধেয়ে আসছে বন্যা

বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত নদীর পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে মাঝারি-ভারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়েছে। এরফলে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আজ সোমবার (৪ মে) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ।

পাউবো জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের নেত্রকোনা জেলার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটারি; হবিগঞ্জ জেলার হবিগঞ্জে ৭৪ মিলিমিটারি ও চাঁদপুর-বাগানে ৬১ মিলিমিটারি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সকাল ৯টার তথ্যানুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় উত্তর পূর্বাঞ্চলের হাওর বেসিনের তিনটি জেলার সাতটি নদীর ৮টি স্টেশন প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সুনামগঞ্জ জেলার নলজুর নদী ১১ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে ৪০ সেমি ওপরে (জগন্নাথপুর), নেত্রকোনা জেলার ধনু-বাউলাই নদী ৯ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে ৮ সেন্টিমিটার ওপরে (জারিয়াজঞ্জাইল), সোমেশ্বরী নদী ১৪ সেমি হ্রাস পেয়ে ৫০ সেন্টিমিটার উপরে (কলমাকান্দা), ভুগাই-কংশ নদী ২২ সেমি হ্রাস পেয়ে ৬৭ সেন্টিমিটার উপরে (জারিয়াজঞ্জাইল), মগরা নদী ৫ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে ৭৯ সেন্টিমিটার ওপরে (নেত্রকোনা), মগরা নদী ০ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে ২৭ সেন্টিমিটার ওপরে (আটপারা) প্রবাহিত।

এদিকে হবিগঞ্জ জেলার কালনি নদী ১৫ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে ১০ সেন্টিমিটার ওপরে (আজমিরিগঞ্জ), সুতাং নদী ২৩ সেমি বৃদ্ধি পেয়ে ৮৩ সেন্টিমিটার ওপরে (সুতাং রেলব্রিজ), সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে নদীগুলোর পানির সমতল ঘণ্টায় ০ থেকে ১ সেন্টিমিটার হারে অত্যন্ত ধীরগতিতে বাড়ছে।

এদিকে ভারতের বিশেষ বুলেটিন থেকে জানা গেছে, মেঘালয় ও আসামে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।


জাতীয় এর আরও খবর

img

২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১৭ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১২:১৭, ০৪ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:০৩, ০৪ মে ২০২৬

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায়  আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হাম উপসর্গে ১৫ ও নিশ্চিত হামে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত হয়ে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে ৩১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৫২ শিশুর। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৫৯ শিশু।

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৫ হাজার ৪৬৭ শিশু। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৪১ হাজার ৭৯৩ শিশু। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগে হাম ও হাম সন্দেহে ১৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ২২ হাজার ৭০৫ শিশু।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ও আক্রান্ত হয়েছে এ বিভাগে। ১৭ মৃত্যুর মধ্যে ১২ জনই এ বিভাগে।

জাতীয় এর আরও খবর