img

শেষ ওভারে হেরে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

প্রকাশিত :  ১১:৪৭, ০২ মে ২০২৬

শেষ ওভারে হেরে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ হাতছাড়া করে । সিরিজের তিন ও শেষ টি-টোয়েন্টি ছিল টাইগ্রেসদের জন্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াই। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ৩ রানে হেরে শ্রীলঙ্কার কাছে ধবলধোলাই হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। 

শনিবার (২ মে) তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে হানা দেয় বৃষ্টি। যার কারণে ম্যাচ নেমে আসে ৯ ওভারে। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই বাংলাদেশের ওপর চড়াও হয় দুই লঙ্কান ওপেনার চামারি আতাপাত্তু আর ইমেশা দুলহানি। ৪৩ রানের জুটি গড়েন তারা। ১০ বলে ১৯ রান করে ইমেশা ফিরলে ভাঙে সেই জুটি।

এরপর তেমন কর কেউ দাঁড়াতে পারেননি। এতে নির্ধারিত ৯ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৮৭ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট শিকার করেছেন সুলতানা খাতুন। 

৮৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারের শেষ দুই বলে চার মেরে ১২ রান তোলেন দিলারা আক্তার। পরের ওভারে তিনি মাঠ ছাড়েন। এরপর সতর্ক ব্যাটিং আর সুযোগ বুঝে বাউন্ডারি মেরে রানের চাকা সচল রাখে স্বাগতিকরা।  

কিন্তু শেষের আগের ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৪ রান প্রয়োজন হয় টাইগ্রেসদের। থম বলে নিগার সুলতানা আউট হন। 

সুলতানা খাতুন পরের দুটি বলে ডাবলস নেন এবং চতুর্থ বলে চার মেরে উত্তেজনা বাড়ান। কিন্তু শেষ দুটি বলে প্রয়োজনীয় ৬ রান নিতে পারেননি তিনি। সিঙ্গেলস নেন শারমিন। তাতে ৬ উইকেটে ৮৪ রানে থামে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২১ রান করেন সোবহানা মোস্তারি।


জাতীয় এর আরও খবর

img

হৃদযন্ত্রে ব্লক, ব্রিটেনে রাষ্ট্রপতির জরুরি এনজিওপ্লাস্টি

প্রকাশিত :  ২০:০৩, ১২ মে ২০২৬

ব্রিটেনে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের হৃদযন্ত্রের একটি ধমনীতে গুরুত্বপূর্ণ ব্লক ধরা পড়েছে। এরপর জরুরিভিত্তিতে তার এনজিওপ্লাস্টি করা হয় এবং একটি স্টেন্ট (রিং) স্থাপন করা হয়। অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে বঙ্গভবনের প্রেস উইং এই তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত চিকিৎসক কর্নেল ডা. এ কে এম ফয়জুল হকের বরাত দিয়ে প্রেস উইং জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. স্টিফেন হোলির তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতির এনজিওগ্রাম সম্পন্ন হয়। পরীক্ষায় হৃদযন্ত্রের একটি ধমনীতে উল্লেখযোগ্য ব্লক শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে এনজিওপ্লাস্টি করা হয় এবং স্টেন্ট বসানো হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতি দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে (এনইউএইচ) ওপেন হার্ট সার্জারি করান। এরপর থেকে হৃদযন্ত্র-সংক্রান্ত জটিলতার ফলো-আপ চিকিৎসার অংশ হিসেবে তিনি নিয়মিত ক্যামব্রিজের রয়াল প্যাপওয়ার্থ হাসপাতালে আসছেন। বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য সুপরিচিত এই হাসপাতাল বিশ্বে প্রথম সফল হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম হিসেবে স্বীকৃত।

রাষ্ট্রপতি গত ৯ মে ফলো-আপ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনের পথে ঢাকা ত্যাগ করেন। চিকিৎসা শেষে আগামী ১৮ মে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।