img

বগুড়ায় হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, সাড়ে ১০ হাজার ফুটের রানওয়ে

প্রকাশিত :  ১৪:১৬, ০৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:২৪, ০৭ মে ২০২৬

বগুড়ায় হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, সাড়ে ১০ হাজার ফুটের রানওয়ে

বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণ এবং সাড়ে ১০ হাজার ফুট দীর্ঘ রানওয়ে তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে বগুড়া বিমানবন্দর পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। 

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণের পাশাপাশি ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ অবতরণ করতে পারে। একই সঙ্গে কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপন করা হবে, যা উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য ও রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বগুড়া পরিদর্শনে এসেছি। উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করা হবে। বগুড়াবাসী সত্যিই ভাগ্যবান। মন্ত্রণালয়ের এই বৃহৎ পরিকল্পনার যাত্রা বগুড়া দিয়েই শুরু হচ্ছে।

উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ, বাণিজ্য ও এভিয়েশন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে বগুড়া বিমানবন্দরকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে পাইলট ট্রেনিং একাডেমি ও কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আজকের এই পরিদর্শন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতারসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জাতীয় এর আরও খবর

img

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৬৯৮

প্রকাশিত :  ১৩:০৩, ২৫ জুন ২০২৬

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৫ শিশু।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৬০৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৯৩ শিশু। ফলে হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯৮ জনে।

একই সময়ে নতুন করে ৫২ জন শিশুর শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে আরও ৮৯৩ জনের মধ্যে। সব মিলিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯৪৫।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ৮৬০ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৯০৬ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার ৬৫৩ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৪৪২ জনের। এ সময়ের মধ্যে মোট ৮০ হাজার ৪৯৭ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার পাশাপাশি জ্বর, র‌্যাশ বা হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।


জাতীয় এর আরও খবর