img

মধ্যরাতে ভূমিকম্প, মিয়ানমারের সঙ্গে কেঁপে উঠল বাংলাদেশও

প্রকাশিত :  ০৫:১৩, ১১ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:২৮, ১১ মে ২০২৬

মধ্যরাতে ভূমিকম্প, মিয়ানমারের সঙ্গে কেঁপে উঠল বাংলাদেশও

মধ্যরাতে মিয়ানমারে ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর প্রভাব পড়ে বাংলাদেশেও। বিশেষ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানা গেছে।

গতকাল রোববার (১০ মে) দিবাগত রাত ১টা ৩৬ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়) ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে জানিয়েছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড)।

সংস্থাটির তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার নিচে। প্রাথমিকভাবে এর অবস্থান নির্ণয় করা হয়েছে ২০ দশমিক ৪৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩ দশমিক ৯৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

অন্যদিকে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সিদোকতাইয়া এলাকার প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পের কম্পন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলেও অনুভূত হয়। চট্টগ্রাম নগরীর কয়েকটি এলাকায় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ করেই কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে। অনেকেই আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।

এর আগেও শনিবার (৯ মে) বিকালে দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। বিকাল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে হওয়া ওই কম্পনে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি না হলেও জনমনে আতঙ্ক তৈরি হয়।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্যে জানা গেছে, শনিবারের ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪ থেকে ৪ দশমিক ৫ এর মধ্যে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৪ দশমিক ৫ উল্লেখ করলেও ইউএসজিএস বলেছে ৪ দশমিক ৪।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের আসামের বিলাসিপাড়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির গভীরতা কম হওয়ায় সীমান্তঘেঁষা বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কম্পন বেশি অনুভূত হয়।

লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয়রা মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের ঝাঁকুনি অনুভবের কথা জানান। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে অনেকেই ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন।


জাতীয় এর আরও খবর

img

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১১:৩৪, ১১ মে ২০২৬

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার (১১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ১১ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৩৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৪১ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১১ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১১৮ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১১ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ছয় হাজার ৯৩৭ জন।   

১৫ মার্চ থেকে ১১ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৮০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩১ হাজার ৯৯২ জন।