img

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আলাউর রহমান চৌধুরী আর নেই

প্রকাশিত :  ১৫:০৭, ২৮ আগষ্ট ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আলাউর রহমান চৌধুরী আর নেই

৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,১৯৬৮/৬৯ এর ১১দফা আন্দোলনে মৌলভীবাজার মহকুমা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা, মৌলভীবাজার মহকুমা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক জেনারেল সেক্রেটারী,ও প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, ৯০ এর গন আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক, মৌলভীবাজার জেলা বাকশাল এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক  ও মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি,এবং মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর অন্যতম উপদেষ্টা, একসময়ের প্রথম শ্রেনীর কনট্রাকটর, বিশিষ্ট সমাজসেবক, রাজনগর এর কৃতিসন্তান আলাউর রহমান চৌধুরী ২৫ শে আগস্ট মঙ্গলবার রাত ৮.২০মিনিটের সময় বাংলাদেশে মৌলভীবাজার শহরের কাজিরগাঁওস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে স্ত্রীসহ দু\'ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন সহ শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৭৮ বছর। 

মরহুমের প্রথম জানাজার নামাজ  ২৬ শে আগষ্ট বুধবার   সকাল  সাড়ে ১১ টায় কাজিরগাঁও টিকর বাড়ীর টিলায় ও রাজনগর ভাঙ্গারহাট প্রাইমারি স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে দূপুর ২ টায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মরহুম এর পুত্র তাসনিম চৌধুরী নাঈম পরিবারের পক্ষ থেকে মহান আল্লাহু রাব্বুল আলামিন যেনো ওর বাবাকে জান্নাতবাসী করেন এই দোয়া করার জন্য সবার প্রতি বিনীতভাবে অনুরুধ জানিয়েছেন। 

তাঁর মৃত্যুতে মৌলভীবাজারের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুসংবাদে  দেশ ও প্রবাস থেকে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী, সাবেক ছাত্রনেতা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এদিকে মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন\'এর উপদেষ্টা ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মান্নান, মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব ওয়ালর্ড ওয়াইড এর ফাউন্ডার্স প্রেসিডেন্ট ও গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে\'র কেন্দ্রীয় কনভেনর মোহাম্মদ মকিস মনসুর, মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর সহ সভাপতি জয়নাল আবেদিন খান, সাধারণ সম্পাদক এম মুহিবুর রহমান মুহিব, ও ট্রেজারার মোহাম্মদ মুজিব মনসুর সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এক শোকবার্তায় মৌলভীবাজার জেলার বিশিষ্ট সমাজসেবক  সদা ন্যায়পরায়ণ, সবার পরিচিত হাস্যোজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব, রাজনগর এর কৃতিসন্তান মরহুম আলাউর রহমান চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাবহ পরিবারবর্গ এর প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। 

শোকবার্তায় গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে\'র কেন্দ্রীয় কনভেনর ও ইউকে বিডি টিভির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মকিস মনসুর,বলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আলাউর রহমান চৌধুরী ছিলেন একজন সৎ, নির্লোভ ও পরোপকারী লোক । তাঁর মৃত্যুতে মৌলভীবাজারবাসী হারালেন আন্দোলন-সংগ্রামের এক প্রবীণ সহযোদ্ধাকে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, ছাত্র আন্দোলনে ভূমিকা এবং গণতান্ত্রিক সংগ্রামে অবদান স্থানীয় ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।তাঁর দীর্ঘ কর্মময় জীবন, সততা, মানবিকতা ও সমাজসেবামূলক কাজের প্রতি নিবেদন আমাদের হৃদয়ে চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলে উল্লেখ করে মহাণ আল্লাহু রাব্বুল আলামিন যেনো উনাকে জান্নাতবাসী করেন এই দোয়া করার জন্য দেশে বিদেশে বসবাসকারী সবার প্রতি বিনীতভাবে অনুরুধ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের  ভাংগারহাট গ্রামে জন্মগ্রহনকারী মরহুম ইসমাইল আলী চৌধুরীর সু\'সন্তান আলাউর রহমান চৌধুরী  গ্রামের স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহন করে রাজনগর পোরটিয়াস উচছ বিদ‍্যালয়ে ভর্তি হোন। এখান থেকে মৌলবীবাজার সরকারী স্কুলে চলে আসেন এবং এসএসসি পাশ করে মৌলভীবাজার কলেজে কলা বিভাগে ভর্তি হন। সেখান থেকে এইচ এস সি এবং ডিগ্রি পাশ করে সেন্টাল ল\' কলেজে আইন পডতে ভর্তি হোন। স্কুল জীবন থেকেই পু্র্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাথে সংপৃক্ত ছিলেন। কর্মদক্ষতায় সংগঠনের বিভিন্ন পদে আসীন ছিলেন। পর্যায় ক্রমে মৌলভীবাজার মহকুমা ছাত্রইউনিয়নের জেনারেল সেক্রেটারীও প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হোন। ১৯৭০সালে ডিগ্রি পাশ করে ন‍্যাপে যোগদান করেন। 

আলাউর রহমান চৌধুরীর রাজনৈতিক ও ছাত্রজীবনের সঙ্গে মৌলভীবাজারের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জড়িয়ে রয়েছে। ঐতিহাসিক বিভিন্ন বর্ণনায় দেখা যায়, তিনি মৌলভীবাজার কলেজের ১৯৬৪ সালের ছাত্রসংসদের মিলনায়তন সম্পাদক ছিলেন। সে সময় মৌলভীবাজারে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগেও তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন। শহীদ মিনার নির্মাণের সেই সময়কার নানা ঘটনা তিনি পরবর্তী সময়ে স্মৃতিচারণ করে তুলে ধরেছেন।

ষাটের দশকের শেষভাগে স্বাধিকার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন যখন তীব্র হয়ে ওঠে, তখন ছাত্রসমাজের আন্দোলনেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০-এর নির্বাচনের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক উত্তাল সময়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বস্থানীয় কর্মী হিসেবে তিনি রাজপথের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিলেন। তিনি অনরগল বক্তৃতা দিয়ে অনায়াসে মানুষের মন জয় করতে পারতেন। কলেজ জীবনে তিনি ছিলেন সকলের প্রিয় নেতা।

১৯৬৯-৭০ সালের উত্তাল রাজনৈতিক সময়ে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের  একজন সক্রিয় ও তুখোড় নেতা হিসেবে আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি সংগঠকের অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন।অত‍্যন্ত ভদ্র ,সদালাপি,এবং ভালো  মনের মানুষ ছিলেন।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

টাওয়ার হ্যামলেটসে ২০৩টি নতুন বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ, এক সপ্তাহে পাঁচটি প্লানিং এপ্লিকেশন

প্রকাশিত :  ০৭:৫০, ২৭ আগষ্ট ২০২৬

টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মেয়রের অ্যাক্সেলারেটেড হাউজিং প্রোগ্রাম-এর আওতায় এক সপ্তাহে পাঁচটি নতুন পরিকল্পনা আবেদন (প্লানিং এপ্লিকেশন) জমা দেওয়া হয়েছে। এসব আবেদনের মাধ্যমে বরোতে মোট ২০৩টি নতুন বাড়ি নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪৬টি সোশ্যাল রেন্টের বাড়ি, যা এই সপ্তাহে জমা দেওয়া মোট আবাসনের ৭২ শতাংশ।

নতুন পাঁচটি পরিকল্পনা আবেদন হলো:

- টেন্ট স্ট্রিট, বেথনাল গ্রিন: ৬০টি সোশ্যাল রেন্টের বাড়ি,

- গিল স্ট্রিট, লাইমহাউস: ১১টি সোশ্যাল রেন্টের বাড়ি,

- দ্য ওভাল, বেথনাল গ্রিন: ২৩টি মার্কেট হোম,

- সাউদার্ন গ্রোভ, মাইল এন্ড: ৯০টি বাড়ি, যার মধ্যে ৫৬টি সোশ্যাল রেন্ট,

- ব্যাক চার্চ লেন, হোয়াইটচ্যাপেল: ১৯টি সোশ্যাল রেন্টের বাড়ি।

টেন্ট স্ট্রিট, গিল স্ট্রিট এবং ব্যাক চার্চ লেনের প্রস্তাবিত সব বাড়িই সোশ্যাল রেন্টের জন্য নির্ধারিত হবে।

মোট ৩০৭টি নতুন বাড়ির পরিকল্পনা

এই পাঁচটি আবেদনের আগে মেয়রের অ্যাক্সেলারেটেড হাউজিং প্রোগ্রামের আওতায় আরও তিনটি পরিকল্পনা আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে:

- টমলিনসন ক্লোজ: ৫৫টি বাড়ি, যার মধ্যে ৩৩টি সোশ্যাল রেন্ট

- বেথনাল গ্রিন প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার: ৪৪টি বাড়ি, যার মধ্যে ২৪টি সোশ্যাল রেন্ট

- স্ট্রাউটস প্লেস: ৫টি সোশ্যাল রেন্টের বাড়ি

এর ফলে এখন পর্যন্ত এই কর্মসূচির আওতায় আটটি পরিকল্পনা আবেদন জমা পড়েছে, যার মাধ্যমে মোট ৩০৭টি নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

৩,৪০০টি বাড়ি নির্মাণের লক্ষ্য

মেয়রের অ্যাক্সেলারেটেড হাউজিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে টাওয়ার হ্যামলেটসে ৩,৪০০টি পর্যন্ত নতুন বাড়ি নির্মাণের লক্ষ্য রয়েছে। এর অন্তত ৫১ শতাংশ হবে সাশ্রয়ী আবাসন।

কর্মসূচিটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো কাউন্সিলের মালিকানাধীন বর্তমানে কম ব্যবহার হওয়া জমি ও জায়গাগুলোকে কাজে লাগিয়ে বারার আবাসন সংকট মোকাবিলা করা। একই সঙ্গে প্রতিটি এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী মানসম্মত, টেকসই ও সুপরিকল্পিত আবাসন তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষ করে অতিরিক্ত মানুষ নিয়ে বসবাস করা বা অনুপযুক্ত আবাসনে থাকা স্থানীয় পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় বড় আকারের পারিবারিক বাড়ি তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিটি আবাসন প্রকল্পের পরিকল্পনা তৈরির আগে কাউন্সিলের কর্মকর্তা, ডিজাইন ও কারিগরি টিমের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় কমিউনিটি এনগেজমেন্টের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের অগ্রাধিকার, উদ্বেগ ও প্রত্যাশা সম্পর্কে মতামত নেওয়া হয়েছে। এসব মতামত প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরিতে বিবেচনা করা হয়েছে।

টাওয়ার হ্যামলেটসের এক্সিকিউটিভ মেয়র লুৎফুর রহমান বলেন, “এক সপ্তাহে পাঁচটি পরিকল্পনা আবেদন জমা দেওয়া টাওয়ার হ্যামলেটসের বাসিন্দাদের জন্য সত্যিকার অর্থে সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার আমাদের অঙ্গীকারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই প্রস্তাবগুলোর মাধ্যমে ২০৩টি নতুন বাড়ি তৈরি হতে পারে, যার মধ্যে ১৪৬টি হবে সোশ্যাল রেন্টের বাড়ি। এর আগে জমা দেওয়া তিনটি আবেদনের সঙ্গে মিলিয়ে এখন আমরা আটটি সাইটে মোট ৩০৭টি নতুন বাড়ির পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়েছি।”

মেয়র বলেন, “আমরা জানি, আমাদের বারাতে আবাসনের চ্যালেঞ্জ কতটা বড়। বিশেষ করে অনেক পরিবার অতিরিক্ত মানুষ নিয়ে বা অনুপযুক্ত আবাসনে বসবাস করছে। আমরা উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছি, একই সঙ্গে বাসিন্দাদের মতামত শুনছি এবং আমাদের কমিউনিটির জন্য উচ্চমানের আবাসন উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।”

প্রথম ধাপের নয়টি সাইটের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু

এই পরিকল্পনা অগ্রগতির পাশাপাশি কাউন্সিল কর্মসূচির প্রথম ধাপের নয়টি সাইটের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রোকিউরমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

গত ১৯ আগস্ট সম্ভাব্য উন্নয়ন অংশীদারদের আগ্রহ প্রকাশের জন্য প্রি-সিলেকশন প্রশ্নপত্রের নথি প্রকাশ করা হয়েছে। এসব সাইটে প্রস্তাবিত আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য অংশীদারদের কাছ থেকে আগ্রহ আহ্বান করা হয়েছে।

প্রোকিউরমেন্ট সংক্রান্ত আরও তথ্য ও নথি টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের প্রোকনট্রাক্ট প্রোকিউরমেন্ট পোর্টাল-এ পাওয়া যাচ্ছে।

এখন জমা দেওয়া পাঁচটি পরিকল্পনা আবেদন পরবর্তী আইনানুগ প্লানিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবে। এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা বিস্তারিত পরিকল্পনা সম্পর্কে মতামত দেওয়ার আরও সুযোগ পাবেন।

নতুন এই আবাসন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে টাওয়ার হ্যামলেটসে বিশেষ করে সোশ্যাল রেন্টের বাড়ির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং কাউন্সিলের মালিকানাধীন অব্যবহৃত বা কম ব্যবহৃত জায়গাগুলোকে স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করবে।

কমিউনিটি এর আরও খবর