img

মরিয়মের আত্মহত্যার সময় বাসায় খাচ্ছিলেন এমপি গাজী নজরুল

প্রকাশিত :  ১৭:৪৫, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মরিয়মের আত্মহত্যার সময় বাসায় খাচ্ছিলেন এমপি গাজী নজরুল

দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুন ‘আত্মহত্যার’ সময় ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটেই ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। তখন তিনি এলাকার নেতা–কর্মীদের সঙ্গে খাচ্ছিলেন। খাওয়া শেষে মরিয়ম খেয়েছে কি না, খোঁজ নিতে গিয়ে মরিয়মের থাকার কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ওই সময় এলাকার নেতা–কর্মীদের সঙ্গে খাচ্ছিলেন তিনি। খাওয়া শেষে মরিয়ম খেয়েছে কি না, খোঁজ নিতে গিয়ে মরিয়মের থাকার কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

রোববার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

পরে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। 

সোমবার গাজী নজরুলকে চার দিনের এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গতকালই মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব ডিবি পুলিশকে দেওয়া হয়।

মরিয়মের লাশ উদ্ধারের পর গাজী নজরুল বলেছিলেন, ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, গাজী নজরুল ইসলাম ঘটনার সময় বাসায় থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে বিভিন্ন কাজ সেরে বেলা দুইটার দিকে বাসায় ফেরেন। দুপুরে বাসায় এলাকার কিছু নেতা–কর্মী এসেছিলেন। তাদের সঙ্গে কথা বলার পর একসঙ্গে বসে দুপুরের খাবার খান। 

খাওয়া শেষে মরিয়ম খেয়েছেন কি না, সে খোঁজ নিতে তার কক্ষের সামনে গিয়ে দেখেন, ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। পরে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পাচ্ছিলেন না। একপর্যায়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা ভাঙার পর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল বলে দাবি করেছেন গাজী নজরুল। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বলেছেন, তাদের যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছিল, সেটা নিয়ে মরিয়ম মানসিক অশান্তিতে ছিলেন। এখনো মানুষ সেটা দেখে, এমনটা মনে করে নানা সময়ে তার কাছে বিষয়টি তুলতেন।

এদিকে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন গাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলাম। 

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। আবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার কথা আদালতকে জানিয়েছেন তিনি।

আবেদনে ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মামলা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা মামলার তদন্তে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।’

তবে নজরুলের প্রথম স্ত্রী রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ কী তথ্য দিয়েছেন- তা জানাননি পুলিশ কর্মকর্তা সালাউদ্দিন।

img

ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৮৭২ নতুন রোগী

প্রকাশিত :  ১৫:১৫, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:১৪, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

                                                                                                অফিস/দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র

প্রথম পক্ষ (দোকান মালিক) : নাম: মো: শাহ আলম ঢালী, পিতার নাম: সামসুল আলম ঢালী, ২৬, প্যারিদাস রোড, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০। পেশা: ব্যবসা, ধর্ম: ইসলাম, জাতীয়তা: বাংলাদেশী। 

দ্বিতীয় পক্ষে (ভাড়াটিয়া) :  মো: নাজমুল ইসলাম, পিতা-  আব্দুল জব্বার,  ১ নং হরিশ্চন্দ্র বসু স্ট্রিট, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০, পেশা: ব্যবসা, ধর্ম: ইসলাম, জাতীয়তা: বাংলাদেশী।


ধর্মত প্রতিজ্ঞা পূর্বক এই মর্মে ঘোষণা করছি যে, আমি প্রথম পক্ষ নিম্ন তফসিল বর্ণিত দোকান/অফিস ঘরের মালিক এবং ভোগ দখলে স্বত্ববান আছি। আমি আমার দোকান/অফিস ঘরটি ভাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে আপনি দ্বিতীয় পক্ষ (গ্রহীতা) উহা নিম্ন বর্ণিত শর্তসাপেক্ষে মাসিক ভাড়ায় গ্রহণ করতে সম্মত হন। উভয় পক্ষের মধ্যে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে এবং স্বাক্ষীগণের উপস্থিতিতে তফসিল বর্ণিত দোকান/অফিসটি নিম্ন শর্ত সাপেক্ষে দোকান ভাড়া চুক্তি সম্পন্ন করা হল।


শর্তাবলি

১। দ্বিতীয় পক্ষ/ভাড়াটিয়া অগ্রিম জামানত হিসাবে প্রথম পক্ষ/মালিক বরাবরে ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা প্রদান করেছেন। ২য় পক্ষ ১ম পক্ষকে ০১ জুন ২০২৬ ইং হইতে আগামী ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত মাসিক ভাড়া হিসাবে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা প্রদান করবেন।

২। প্রতিমাসের দোকানভাড়া পরবর্তী মাসের ৯ (নয়) তারিখের মধ্যে ২য় পক্ষ ১ম পক্ষকে পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবেন।

৩। দ্বিতীয় পক্ষ টয়লেট, পানি, বিদ্যুৎসহ আনুসাঙ্গিক সুবিধাদি ভোগ করিবেন।

৪। দ্বিতীয় পক্ষ ব্যবহৃত বিদ্যুৎ ও পানি বিল ব্যাবসা সম্পর্কিত অন্যান্য খরচ নিজ দায়িত্বে পরিশোধ করবেন।

৫। দ্বিতীয় পক্ষ চুক্তির মেয়াদকাল শেষ হবার পূর্বে দোকান/অফিস ছেড়ে দিতে চাইলে ২ (দুই) মাস পূর্বে প্রথম পক্ষকে নোটিশ প্রদান করতে হবে।

৬। অত্র চুক্তিনামার যাবতীয় শর্তাবলি উভয়পক্ষ মেনে চলবে এবং মেয়াদ শেষে উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে চুক্তিনামাটি নবায়ন করা যাবে।

৭। দ্বিতীয় পক্ষ দোকানে বা অফিসে কোন নিষিদ্ধ মালামাল বিক্রয় করতে পারবে না। যদি কোন নিষিদ্ধ জিনিস বিক্রয় করে এবং আইনি ঝামেলায় পড়ে তাহলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার দ্বিতীয় পক্ষ বহন করবে।

৮। উভয় পক্ষ চুক্তির শর্তাবলী মানতে বাধ্য থাকবে। কোন পক্ষ কোন শর্ত ভঙ্গ করলে উক্ত চুক্তিপত্র বাতিল হতে পারে।

দোকান/ অফিসের তফসিল

জেলা: ঢাকা, থানা: দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, কালীগঞ্জ, চেীধুরী নগর, ঢাকা-১৩১০ (নুরু সুপার মার্কেট) ভবনের ৫ম তলা ১/২ নং দোকান/অফিস ঘরটি অত্র চুক্তিপত্র দলিল দ্বারা আমি প্রথম পক্ষ ভাড়া দিলাম এবং আমি ভাড়াটিয়া হিসাবে দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়া নিলাম।


সত্যপাঠ

উপরোক্ত বর্ননাসমূহ সম্পুর্নরুপে সত্য মানিয়া অদ্য অত্র দোকান/অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র সম্পাদন করিয়া দিলাম।

তাং- [তারিখ দিন]

                                                                                                                                                                                              ১ম পক্ষের স্বাক্ষর   


     

                                                                                                                                                                                              ২য় পক্ষের স্বাক্ষর

স্বাক্ষীগনের স্বাক্ষর

১।

২।

৩। 

জাতীয় এর আরও খবর