img

পাবনায় বজ্রপাতে একসঙ্গে ছয়জনের মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১০:৪৪, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

পাবনায় বজ্রপাতে একসঙ্গে ছয়জনের মৃত্যু

পাবনার একটি বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে একসঙ্গে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের সোনাপাতি বিলে এ ঘটনা ঘটে।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। সেখানে পৌঁছে বিস্তারিত জানাতে পারব।

মালঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন বাবু বলেন, কয়েকজন কিশোর সোনাপাতি বিলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। বিকেল পাঁচটার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে তারা একটি পলিথিনের তৈরি ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় সেখানে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, বজ্রপাতে আহত তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতরা কিশোর ও তরুণ। তাদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।


জাতীয় এর আরও খবর

img

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন

প্রকাশিত :  ০৫:৫০, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এসএমএসের মাধ্যমে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ছিলেন ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ছিলেন ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন।

অর্থাৎ, এবার ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেন।

সারা দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২ জুলাই সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। 

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্টের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো গ্রহণ করা হয়।

সব বোর্ডে ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়।

জাতীয় এর আরও খবর