img

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৭০২

প্রকাশিত :  ১২:১৯, ২১ জুলাই ২০২৬

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৭০২

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নতুন করে আরও ১ হাজার ৮ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।

আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত এ নিয়ে সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭০২টি শিশুর। 

হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৯৭টি শিশু মারা গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৭৮। এই সময়ে ১ হাজার ২১৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৭৯টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৪৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৭০৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২ হাজার ২৪৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৯৮ হাজার ৪১১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।


জাতীয় এর আরও খবর

img

বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের

প্রকাশিত :  ১৪:৪১, ২২ জুলাই ২০২৬

দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে বেসরকারি মালিকানায় ছেড়ে দিতে সরকার পরিকল্পনা করছে বলে তুলে ধরেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। মন্ত্রী বলেন, এতে জবাবদিহিতা বাড়বে, বিল আদায় নিশ্চিত হবে এবং সেবার মান উন্নত হবে।

আজ বুধবার (২২ জুলাই) হোটেল সোনারগাঁওয়ে বণিক বার্তা কর্তৃক আয়োজিত এনার্জি সিকিউরিটি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন অব বাংলাদেশ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও বিল আদায় নিশ্চিত করতে এই খাতকে বেসরকারি মালিকানায় ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এই উদ্যোগ এগিয়ে নিতে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া গেছে।’

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘আমি সব বিতরণ কোম্পানিকে বেসরকারিকরণ করতে চাই। সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন করে পাইকারি বিক্রি করতে পারে, কিন্তু গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণের কাজটি বেসরকারি খাতেরই করা উচিত। মুম্বাই ও দিল্লির মতো শহরগুলোতে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারি কোম্পানিগুলো পরিচালনা করছে। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদেরও পারা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার খুচরা ব্যবসা করতে পারে না। বেসরকারি উদ্যোক্তারা এলে জবাবদিহিতা ও বিল আদায় নিশ্চিত হবে। এছাড়া সবসময় কেন সরকারকেই পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করতে হবে? বেসরকারি খাতকে এটি করতে দেওয়া উচিত। এর একটি বড় বাজার রয়েছে এবং প্রতিযোগিতার ফলে সরকারের ওপর চাপ কমবে।’

বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারি করার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিষয়েও সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমান মেয়াদের শেষে বাংলাদেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে ক্লাস্টার-ভিত্তিক (গুচ্ছ-ভিত্তিক) রুফটপ সোলার ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করছে। এই ব্যবস্থার আওতায় বিনিয়োগকারীরা নিজেরাই সোলার প্যানেল স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ করবেন এবং \'নেট-মিটারিং\' পদ্ধতির মাধ্যমে সরাসরি গ্রাহকদের কাছ থেকে খরচ তুলে নেবেন।’


জাতীয় এর আরও খবর